Books & Stationery

You have no items in your shopping cart.

Filter By Brand
Filter By Vendors
Discount Applied
Filter By Rating
 

বইমেলা ২০২৩

Sort by
Display per page

গ্রিন কফি (হার্ডকভার)

আমাকে বলা হয়েছে এই বইটার একটা সার-সংক্ষেপ লিখে দিতে। উপন্যাস হলে ব্যাপারটা খুব সহজ হতো। কিন্তু এটা একটা গল্পসংকলন। অনেকগুলো আলাদা গল্পের সার-সংক্ষেপ অল্প কথার মাঝে লেখা কঠিন। তারথেকে বলা যায়, আমি কেমন গল্প লিখি এই বিষয়ে। আপনারা যারা ফেসবুকে আমার গল্প পড়েন তারা তো জানেনই। যারা প্রথম এই বই পড়বেন, তারাও জেনে ফেলবেন। আমার একটা সীমাবদ্ধতা হলো, আমি সহজ-স্বাভাবিক কিছু ভাবতে পারি না। আমার কল্পনা বাস্তব ছাড়িয়ে অদ্ভুত, আজগুবি, আশ্চর্জনক রাস্তায় চলে যায়। যেখানে মানুষ নিজেই নিজের বাড়ি ভাঙচুর করার দায়ে নিজের নামে মামলা করে, বিয়ের পর বউ-বাচ্চা না প্রসব করে ডিম পাড়ে, একটা মেয়ে অনেকগুলো প্রেমিকের সাথে একসাথে গ্রুপ খুলে প্রেম করে, কেউ ভার্জিন শব্দের অর্থ ভাবে সৎ, এক মেসের বড়োভাই আর তার প্রেমিকা প্রতিদিন রাতে বিশেষ কয়েকটা গান শোনে স্পিকারে, এরকম আরো উদ্ভট জিনিসপত্র।
বলছিলাম, আমার ফেসবুকে লেখা গল্পগুলোর কথা। এরকম নতুন আরো বেশকিছু গল্প নিয়েই এই ""গ্রিন কফি"" বইটি। যদি আপনি কল্পনার জগতের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও চলে যেতে চান, সবকিছু ভুলে গিয়ে কিছু সময় আনন্দ পেতে চান, রম্য গল্পের অন্যরকম কিছু সৃষ্টি উপভোগ করতে চান, তাহলে এই বইটি আপনি কিনতে পারেন। আর যদি আপনি খুব সিরিয়াস, গুরুগম্ভীর কেউ হন, তাহলে এই বইটি আপনার না কেনাই ভালো হবে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিংয়ের মাঝে উদ্ভট কিছু মাথায় এসে হুট করে হেসে ফেললে ব্যাপারটা আপনার ইমেজের জন্য অবশ্যই ভালো হবে না।
আমাকে বলা হয়েছে এই বইটার একটা সার-সংক্ষেপ লিখে দিতে। উপন্যাস হলে ব্যাপারটা খুব সহজ হতো। কিন্তু এটা একটা গল্পসংকলন। অনেকগুলো আলাদা গল্পের সার-সংক্ষেপ অল্প কথার মাঝে লেখা কঠিন। তারথেকে বলা যায়, আমি কেমন গল্প লিখি এই বিষয়ে। আপনারা যারা ফেসবুকে আমার গল্প পড়েন তারা তো জানেনই। যারা প্রথম এই বই পড়বেন, তারাও জেনে ফেলবেন। আমার একটা সীমাবদ্ধতা হলো, আমি সহজ-স্বাভাবিক কিছু ভাবতে পারি না। আমার কল্পনা বাস্তব ছাড়িয়ে অদ্ভুত, আজগুবি, আশ্চর্জনক রাস্তায় চলে যায়। যেখানে মানুষ নিজেই নিজের বাড়ি ভাঙচুর করার দায়ে নিজের নামে মামলা করে, বিয়ের পর বউ-বাচ্চা না প্রসব করে ডিম পাড়ে, একটা মেয়ে অনেকগুলো প্রেমিকের সাথে একসাথে গ্রুপ খুলে প্রেম করে, কেউ ভার্জিন শব্দের অর্থ ভাবে সৎ, এক মেসের বড়োভাই আর তার প্রেমিকা প্রতিদিন রাতে বিশেষ কয়েকটা গান শোনে স্পিকারে, এরকম আরো উদ্ভট জিনিসপত্র।
বলছিলাম, আমার ফেসবুকে লেখা গল্পগুলোর কথা। এরকম নতুন আরো বেশকিছু গল্প নিয়েই এই ""গ্রিন কফি"" বইটি। যদি আপনি কল্পনার জগতের সীমা ছাড়িয়ে অন্য কোথাও চলে যেতে চান, সবকিছু ভুলে গিয়ে কিছু সময় আনন্দ পেতে চান, রম্য গল্পের অন্যরকম কিছু সৃষ্টি উপভোগ করতে চান, তাহলে এই বইটি আপনি কিনতে পারেন। আর যদি আপনি খুব সিরিয়াস, গুরুগম্ভীর কেউ হন, তাহলে এই বইটি আপনার না কেনাই ভালো হবে। গুরুত্বপূর্ণ কোনো মিটিংয়ের মাঝে উদ্ভট কিছু মাথায় এসে হুট করে হেসে ফেললে ব্যাপারটা আপনার ইমেজের জন্য অবশ্যই ভালো হবে না।

কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ (পেপারব্যাক)

কুরআন কীভাবে আমাদের জীবনের কথা বলে, কীভাবে আমাদের জীবনে কুরআন হয়ে উঠতে পারে আলোর দিশা, কুরআনের আয়াতগুলো থেকে কীভাবে আমরা আহরণ করতে পারি মণি-মুক্তো, কীভাবে কুরআন আমাদের চিন্তার জগতে আনতে পারে নতুন মাত্রা— পাঠক পরিচিত হবে সেরকম একটা ধারার সাথে। উঁহু, গতানুগতিক গদ্য বা খটমটে প্রবন্ধ নয়, প্রতিটা অধ্যায়ে পাঠক দেখতে পাবে তার জীবনের প্রতিচ্ছবি, জীবন থেকে নেওয়া ঘটনা অথবা চারপাশের চিরচেনা জগতের সাথে কুরআন কীভাবে ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কিত। জীবনের গল্প পড়তে পড়তে পাঠক ঢুকে পড়বে কুরআনের ভাবনার জগতে, সেই জগত থেকে আলো ধার করে পাঠক আবার ফিরে আসবে জীবনের ধারায়— ‘কুরআন থেকে নেওয়া জীবনের পাঠ’ বইটা সাজানো ঠিক এভাবেই, আলহামদুলিল্লাহ

অলিন্দ অনলে (হার্ডকভার)

অসম ভালোবাসায় দাউ দাউ করে জ্বলে বাড়ির চিলেকোঠা। অলিন্দ অনলে পুড়ে যাওয়া চিঠিগুলোয় কেটে যায় সময় নিমগ্ন। হঠাৎ বিভোর করে স্মৃতির পাতায় ছোট্ট তরীর গোধূলী লগ্ন। বিরহ রঙিন করে প্রেমিকের দেয়া একগুচ্ছ বেগুনি ফুল। চোখের জলে ভিজে যায় শাপলার মালা। জল থেকে তুলে আনা ব্যাটে বিশ্বজয় প্রেয়সীর মন জয় করার কী উপায়?'' অলিন্দ অনলে একটি অসম প্রেমের গল্প। প্রেয়সীর প্রতি তীব্র ভালোবাসা নিয়ে কেওয়াটখালী রেলব্রিজে ছুটে চলার গল্প। সীমাহীন অনিশ্চয়তা নিয়েও আশায় বুক বাঁধার গল্প। শেষ পর্যন্ত কি হয় অলিন্দ অনলে পুড়তে থাকা অন্তরার? অলিন্দর গাঢ় কবিতা আর অসম প্রেমের শেষ স্টেশন কোন শহরে?

তাওহীদ ও শিরক (হার্ডকভার)

তাওহীদ আল্লাহর কাছে আমল গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তি। শিরক তাওহীদের সম্পূর্ণ বিপরীত। শিরক সকল আমলকে বিনষ্ট করে দেয়।
তাওহীদের মাধ্যমে আমল গ্রহণযোগ্য হয়, আর শিরক আমলকে ধ্বংস করে দেয়। তাই তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে জানতে হবে ।
আর এ জানার উৎস হবে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহ ।

আল্লাহর দ্বীনের মূল ভিত্তি তাওহীদ । তাওহীদ মানে আল্লাহকে রব ও ইলাহ্ হিসেবে একক মর্যাদা দেয়া । তাওহীদের বিপরীত শিরক ।
শিরক হচ্ছে যা আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট এবং শুধু মাত্র আল্লাহরই প্রাপ্য, তাতে অন্য কাউকে অংশীদার বানানো ।
শিরক 'কে কুরআনে 'যুল্ম আযীম' তথা মহা অবিচার বলা হযে়ছে। শিরক অমার্জনীয় অপরাধ । শিরক সকল নেক আমল নষ্ট করে দেয়।

আল্লাহ মানুষের হেদাযে়তের জন্য যুগে যুগে নবী—রাসূল পাঠিযে়ছেন। সকল নবী— রাসূলের দাওয়াতের মূল বিষয় ছিল তাওহীদ ।

ঈমানকে নির্ভেজাল তাওহীদের ওপর টিকিযে় রাখার জন্য এবং শিরক থেকে বাচার জন্য প্রতেক মুমিনেরই তাওহীদ ও শিরক সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা থাকা প্রযে়াজন । এ ধারণা থাকলেই সে জানতে পারবে তাওহীদ কী? তাওহীদের দাবি কী ? শিরক কী ? শিরকের পরিণতি কী ? আর এ সব জানতে পারলেই তার বাস্তব জীবনে ঈমানের প্রভাব পরিলক্ষিত হবে । সে আল্লাহর প্রভূত্ব ছাড়া আর কারো প্রভূত্ব মানবে না।
আল্লাহর দাসত্ব ও গোলামী ছাড়া আর কারো দাসত্ব ও গোলামী করবে না। আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ছাড়া আর কারো সার্বভৌমত্ব মানবে না।
আল্লাহর ক্ষমতায় কাউকে অংশীদার বানাবে না। সকল ধরনের তাগতকে সে বর্জন করবে । সকল ধরনের শিরককে সে প্রত্যাখ্যান করবে।

'তাওহীদ ও শিরক' বইটিতে তাওহীদের পরিচয়, তাওহীদের মর্যাদা, জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নানা আঙ্গিকে তাওহীদ চর্চা, মানব জীবনে তাওহীদের প্রভাব এবং শিরকের পরিচয়, কারণ, পরিণাম, আমাদের সমাজে প্রচলিত শিরক ইত্যাদি বিষযে়র আলোচনা করা হযে়ছে।

পৃথিবী আমার আসল ঠিকানা নয়

প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে । আর অবশ্যই কিয়ামতের দিন তাদের প্রতিদান পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে; সুতরাং যাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, সে-ই সফলতা পাবে, আর দুনিয়ার জীবন শুধু ধোঁকার সামগ্রী ।”
             -সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৮৫
 যে কোনো বই নিবিড় মনে পড়ার সময় প্রিয় পাঠক-পাঠিকার মনে কিছু প্রশ্নমালা উঁকি দেয়, পাশাপাশি তারা কিছু করণীয় বিষয় তুলে আনার চেষ্টা করেন । এ সবের প্রতি লক্ষ্য রেখেই বইটির -
• প্রথম অধ্যায়ে ‘মানব পরিচয়' শিরোনামে মানুষের সৃষ্টি-রহস্য, মানব সৃষ্টির লক্ষ্য, মানব জীবনের সফলতা ও ব্যর্থতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। 
• দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘মৃত্যুর বিবরণ’, 
• তৃতীয় অধ্যায়ে ‘গোসল, কাফন, জানাযার নামায ও দাফন' সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ অনেক মাসআলা-মাসায়েল বিশুদ্ধ দলিলের আলোকে বর্ণনা করা হয়েছে । 
• চতুর্থ অধ্যায়ে ‘কবরের বিবরণ’, পঞ্চম অধ্যায়ে “কিছু ভ্রান্তির অপনোদন' শিরোনামে কিছু জিজ্ঞাসার জবাব এবং 
• ষষ্ঠ অধ্যায়ে ‘কিছু পাথেয়' শিরোনামে আমাদের করণীয় ধারাবাহিকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে ।
ইতোপূর্বে ”পৃথিবী আমার আসল ঠিকানা নয়” বইটির দুইটি সংস্করণ প্রকাশ করা হয়েছে । ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তায় আলোচ্য বইটির বিন্যাস, উপস্থাপনার ধরন, মান ও নির্ভরযোগ্যতা সুধী পাঠক সহজেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন । বইটি দ্বারা পাঠক মহল উপকৃত হলেই আমাদের প্রচেষ্টা সার্থক হয়েছে বলে মনে করবো ।

রাহমানের বান্দাদের গুণাবলী

আল্লাহ মুমিনদেরকে “হে আমার বান্দাগণ!' বলে সম্বোধন করেছেন । তাই আল্লাহর বান্দা হওয়া সৌভাগ্যের ব্যাপার । শুধু ঈমান আনলেই আল্লার বান্দা হওয়া যায় না। আল্লার বান্দা হওয়ার জন্য প্রয়োজন বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলির। সে গুণ ও বৈশিষ্ট্যগুলো বিচ্ছিন্-বিক্ষিপ্তভাবে বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করা হয়েছে । বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলির আলোচনা শুরু করা হয়েছে, ইবাদুর রাহমান- রাহমানের বান্দাগণ বলে। এখানে রাহমানের বান্দাদের যে গুণগুলোর উল্লেখ করা হয়েছে, দাওয়াত ইলাল্লাহর পথের কর্মী হিসেবে এ গুণগুলো আমাদের অর্জন করতে হবে।
রাহমানের বান্দাদের গুণাবলি বইটি কোনো গতানুগতিক বই নয়। এ বইটি সুরা আল ফোরকানের শেষাংশের ১৫টি আয়াতকে অবলম্বন করে লেখা হয়েছে। এ আয়াতগুলোতে আল্লাহ তার প্রিয় বান্দাদেরকে ইবাদুর রাহমান-রাহমানের বান্দাগণ হিসাবে পরিচয় দিয়ে তাদের গুণাবলি উল্লেখ করেছেন। লেখক এ গুণ ও বৈশিষ্ট্যগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।
আমাদের বিশ্বাস যারা এসব গুণ ও বৈশিষ্ট্য অর্জন করে রাহমানের বান্দাদের অন্তর্ভূক্ত হতে চান, তারা এই বইটি থেকে উপকৃত হবেন। ইনশাআল্লাহ।

দেয়াল ভাঙার গান

মৌরি মরিয়ম বর্তমান বাঙালি লেখক সমাজে জনপ্রিয় এক নাম মৌরি মরিয়ম। ১৯৯১ সালের ২৫ মে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় মৌরি মরিয়ম জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মরহুম আজিজুল হক এবং মা মনজু বেগম। তিনি বেড়ে উঠেছেন রাজধানী ঢাকার শহরঞ্চলে। ধানমন্ডি গার্লস স্কুল থেকে ২০০৯ সালে মাধ্যমিক এবং বদরুন্নেসা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন ২০১১ সালে। ২০১৫ সালে ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা বিভাগে তিনি স্নাতক সম্পন্ন করেন। শৈশবকাল থেকেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে মৌরির। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত গল্পের বই পড়তেন তিনি। বইয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই লেখালেখিতে মনোনিবেশ তার। তার লেখক প্রতিভা জাগ্রত হয় স্কুলের ম্যাগাজিনে গল্প-কবিতা লেখার মধ্য দিয়ে। সেই থেকেই লেখক সত্ত্বাকে জিইয়ে রেখেছেন মৌরি। ছাত্রজীবনে লেখক হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে রচনা করেছেন ৪-৫টি উপন্যাস। তিনি আত্মপ্রকাশ করেন ২০১৮ সালে। মৌরি মরিয়ম এর উপন্যাস ‘প্রেমাতাল’ ২০১৮ সালের বইমেলায় প্রকাশিত হয়। ঠিক এর পরের বছর ২০১৯ সালের বইমেলায় তিনি উপহার দেন তার দ্বিতীয় উপন্যাস ‘অভিমানিনী’। ‘তোমায় হৃদমাঝারে রাখব’ তার প্রকাশিত তৃতীয় উপন্যাস। এরপর মৌরি মরিয়ম এর বই সমগ্র এর মধ্যে আরও আছে ‘সুখী বিবাহিত ব্যাচেলর’। খুব অল্প সময়ে মাত্র ৪টি উপন্যাস দিয়ে তিনি পাঠকের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। মৌরি মরিয়ম এর বই সমূহ পাঠককূল আগ্রহভরে পড়ে। শত ব্যস্ততার মধ্যেও লেখালেখির জন্য সময় তিনি বের করেই নেন, কেননা বই লেখা মৌরি মরিয়মের নেশা। সারাজীবন তিনি লেখালেখির মধ্যেই থাকতে চান।

সর্বশেষ অপার্থিব (পেপারব্যাক)

অজ্ঞতার গাঢ় অন্ধকার চিরে দুনিয়াতে এলো একচিলতে আলো। এ আলো আসলে ওহীর সুউজ্জ্বল রোশনাই। মানুষের মুক্তির দিশারী। এ আলোই কুরআন—মহান রবের চির অমলিন বাণী। কিন্তু শিরক-কুফর আর অজস্র ইজমের বিষাক্ত কাদায় ডুবে থাকা মানুষের মন ক্ষণে ক্ষণে এ মহান বাণীকে নিয়ে সন্দিহান হলো। ছুড়ে দিতে চাইল নানান চ্যালেঞ্জ। বিচিত্র সব প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে সৃষ্টি করতে চাইল ধোঁয়াশা। এ অপচেষ্টা যুগে যুগেই হয়েছে। কেউ স্রেফ প্রশ্ন ছুড়েছে। কেউবা ভুল বের করতে মরিয়া হয়েছে। তবু আজতক কারও অপচেষ্টাই আলোর মুখ দেখেনি। বরঞ্চ গুমড়ে মরেছে আঁধারেই। এদিকে কুরআনপ্রেমী বিদগ্ধজনরাও বসে থাকেননি। তারাও প্রমাণ করতে চেয়েছেন কুরআন স্রেফ ‘ধর্মগ্রন্থ’ নয়; বরং তা স্বয়ং বিশ্বপ্রতিপালকের অজর বাণী। চিরসত্য কুরআনের সত্যতার আলো ঝকঝকে দেয়ালটাকে লেখনীর মাধ্যমে চেনাতে চেষ্টা করেছেন অনেকেই। ‘সর্বশেষ অপার্থিব’ সেরকমই এক প্রেমময় প্রচেষ্টা।  নানামাত্রিক আলোচনা, যুক্তি আর খণ্ডনে সমৃদ্ধ এই বই চিন্তাশীল পাঠককে আরও একটু ভাবতে বাধ্য করবে। আর বিশ্বাসীর করতলে তা হবে এক শাণিত তরবারি।

জান্নাতি জীবন (পেপারব্যাক)

মুমিনের জীবন সর্বদা সংগ্রাম মুখর। তাকে লড়াই করে যেতে হয় শয়তানের বিরুদ্ধে। লড়াই করে যেতে হয় নিজের নফসের বিরুদ্ধে। বেঁচে থাকতে হয় গুনাহ ও পাপ থেকে। এভাবে সে পরীক্ষিত হতে থাকে। সোনা যেমনিভাবে আগুনে পুড়ে আরও খাঁটি হয়, মুমিনের ব্যাপারটাও তেমনই। শয়তান এবং নফসের পাল্লায় পড়ে মুমিন গুনাহ করে। অতঃপর অনুতপ্ত হয়, ফিরে আসে মহান রবের অনুগ্রহের দিকে। আল্লাহ এমনটাই পছন্দ করেন। এজন্যেই তাওবার দরজা খোলা থাকবে কিয়ামত পর্যন্ত। প্রতিটি মুমিনের পরম আকাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য হলো জান্নাত। সেখানে যাবার সরলতম একটি উপায় হলো গুনাহ বর্জন এবং আখিরাতের পাথেয় উপার্জন। এভাবেই মুমিন লাভ করে জান্নাতি জীবন। প্রিয় পাঠক, আপনার হাতের এই বইটির নামকরণ ঠিক এ কারণেই। <br> দুনিয়াতে থেকেই কীভাবে জান্নাতি জীবন নিশ্চিত করা যায়, তারই একটা রোডম্যাপ বলা যেতে পারে বইটিকে। এ বইতে বর্ণিত গুনাহের তালিকা, সেগুলোর কার্যকারণ এবং তা থেকে পরিত্রাণের উপায়গুলো খুব সহজেই আপনার আমল-আখলাকের উন্নতিতে সহায়ক হবে ইন শা আল্লাহ।



ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স (পেপারব্যাক)

নেতা হতে হলে নেতৃত্বের গুণাবলি থাকা চাই। আর তাই নেতৃত্বের গুণাবলি বা লিডারশীপ স্কিল নিয়ে আজকাল বেশ আলোচনা হচ্ছে। একজন আদর্শ নেতার যে গুণটাকে গবেষকরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা হলো ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। অর্থাৎ, অপরের হৃদয়ের অনুভূতি বোঝার মানবীয় দক্ষতা।  মজার ব্যাপার হলো, হালের এই বিশেষ স্কিল নিয়ে আজ থেকে প্রায় সাড়ে চৌদ্দশো বছর আগেই কাজ করে গিয়েছেন আমাদের প্রিয় রাসূল মুহাম্মাদ । শুধু তাই নয়, নিজের পবিত্র জীবনে এই গুণের এমন সর্বোচ্চ ও সুচারু প্রয়োগ ঘটিয়েছেন যে, এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ের কোনো একাডেমিক আলোচনা ক্ষেত্রবিশেষে তাঁর ধারেকাছেও পৌঁছাতে পারেনি। নবিজির সেই বিশেষ গুণটি নিয়েই আমাদের এই বই—ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স। এতে কোনো রকমের তত্ত্বকথা না কপচিয়ে নবিজির পবিত্র সীরাতের ঘটনাগুলোকে বাস্তবধর্মী দৃষ্টিকোণ থেকে আলোচনা করা হয়েছে। এতে আপনি সীরাতের ঘটনাগুলোকে ভিন্ন আঙ্গিকে ভাবতে পারবেন।
 এছাড়াও নিজের ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্সের অবস্থান বুঝার জন্যে বইটিতে একটি চেকলিস্ট দেওয়া হয়েছে—যা আত্মোন্নয়নের পথে আপনাকে আরও একধাপ এগিয়ে নেবে। সর্বোপরি বইটি একজন সচেতন প্র্যাক্টিসিং মুসলিমের জন্যে হবে উন্নত মানসিকতা গঠনের বুনিয়াদ, ইন শা আল্লাহ।

 

কী কথা নিজের সাথে

"বাংলাদেশের তরুণরা খুবই মেধাবী। তাঁরা স্বপ্ন দেখতে ভালবাসে। কিন্তু কেউ বলে না কিভাবে সেই স্বপ্নটা বাস্তবায়ন করতে হবে! কারো হাতে সময় নেই তাঁদের জন্য। সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। 
কিন্তু নিজে একা বড় হয়ে এই সমাজ ও দেশ কখনো বদলাবে না। মূল্যবোধ তৈরি হবে না। সবাইকে নিয়ে বড় হতে হবে। 
কেউ তাঁদের সাহস দেয় না, বলে না যে “তুমি পারবে” বরং বার বার মনে করিয়ে দেয় “তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না”। 
জীবনে দারুণ কিছু করতে হলে, সাধারণ থেকে অসাধারণ হতে হলে “নিজেকে সময় দিতে হবে”। “নিজের সাথে কথা বলতে হবে”, প্রশ্ন করতে হবে “নিজের বিবেক কে? – আমি যা করছি তা কি ঠিক হচ্ছে? আমি কি নিজেকে ফাঁকি দিচ্ছি? আমি কি অন্য কাউকে ঠকাচ্ছি, নাকি নিজেকে ঠকাচ্ছি? – তাঁদের জন্য এই বই।
এই বই প্রতিদিন আপনার বিবেক কে জাগ্রত করে রাখবে। ভালোমানুষ হয়ে এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরণা দিবে।
এই বইয়ের ১০০ টা টিপস যদি আপনার জীবনে কাজে লাগান ও প্রতিদিন অনুশীলন করেন তবে আপনি একজন অসাধারণ মানুষ হবেনই"

বাঁধন বাড়ি

যে বাড়িটা একসময় গৃহস্থালি কাজে সারাদিনমান কোলাহলমুখর থাকত, সে বাড়িটা ধীরে ধীরে নিজেদের পুরোদস্তুর গার্হস্থ্য জীবন গুটিয়ে নিল। যে বাড়িতে ছুটির মৌসুমে ঘর ভরে যেত মেহমানে, মাটিতে শীতলপাটি বিছিয়ে শয্যা পাততে হতো জায়গা সংকুলান না হওয়ায়, সেই বাড়িতে এখন মানুষের পায়ের চিহ্ন পড়ে না বছরের পর বছর। যে বাড়িতে প্রায় উনিশ-কুড়িটা জানালা দিয়ে রোজ সূর্যের আলো প্রবেশ করত ঘরে, সন্ধ্যে হলে নাকবারান্দায় জ্বলে উঠত বৈদ্যুতিক আলো, সেই বাড়িজুড়ে এখন থইথই অতল অন্ধকার। পৌষের মধ্যরাত পর্যন্ত যে বাড়ির উনুনঘরে পিঠাপুলি বানানো হতো, সেই উনুনঘর থেকে এখন আর পিঠাপুলির গন্ধ ভেসে আসে না। বছর যায়, ক্যালেন্ডার বদলায়, একের পর এক পৌষ মাস এসে চলেও যায়, কিন্তু সেই উনুন ঘরের বন্ধ দরজাটা আর খুলে না। ঋতুবদলের ঘূর্ণিপাকে প্রকৃতিতে বর্ষা আসে, পদ্মা নদী যুবতী হয়ে উঠে, চরাচর ভেসে যায় উচ্ছ্বল পানিতে। ঐ বাড়ির উঠোনেও পানি জমে, বহির্বাটি দিয়ে স্রোত আপন গতিতে চলে যায় মাঠে-ঘাটে। কিন্তু এখন আর কেউ ঘরে পানি উঠে যাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা করে না সেখানে। কেউ দক্ষিণের জানালা খুলে দেখে না, পানি কতটুকু বাড়ল বা কমল। প্রতি পূর্ণিমায় ঐ বাড়ির টিনের চালাতেও জ্যোত্স্না আছড়ে পড়ে। কিন্তু উঠোনে মাদুর বিছিয়ে জ্যোৎস্না দেখে না কেউ আর। বাড়ির কোল ঘেঁষে কারো কল্পনায় অনাথের মতো একা দাঁড়িয়ে থাকে নিঃসঙ্গ শিমুল গাছ। সেই গাছজুড়ে ফুটে থাকে লাল টুকটুকে শিমুল ফুল। শিশিরের মতো টুপটাপ শব্দে তা ঝরে পড়ে। কিন্তু কোচর ভরে সেই শিমুল ফুল কুড়িয়ে নেওয়ার মতো কেউ নেই আর। তবুও বাড়িটা অপেক্ষায় থাকে । আপনজনের ফিরে আসার অপেক্ষায়! প্রচ্ছদ: মো: সাদিতউজজামান

হৃদয়ের রসায়ন

"নারী পুরুষের মধ্যকার কেমিস্ট্রি বা রসায়নের ব্যাপারটা মনে হয় বেশ জটিল। সুমির যখন বিয়ে হয়েছিল তখন ওর বিশ বছর বয়স। হবু বর আবেদকে দেখে একটুও আকৃষ্ট হয়নি ও। কিন্তু আবেদের সুমিকে অনেক ভালো লেগেছিল। তারপর সেই একপক্ষের আকর্ষণের ওপর ভিত্তি করে সুমির বিয়ে আর চব্বিশ বছরের সংসার। দুই কন্যা, এক পুত্র আর স্বামীকে নিয়ে প্রবাসের একেবারে হিমহাম আদর্শ সংসার।
এতগুলো বছরে সুমির মনে হয়েছে শরীরের আনন্দের চেয়ে জীবনে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে স্বামী আবেদের সাথে তার সম্পর্ক শরীরের আকর্ষণ বা রসায়নের সমীকরণে বাঁধা না। এই সম্পর্ক সম্মান, ভালোবাসা, বিশ্বাসের তারে বাঁধা। কিন্তু সুমির এতদিনের ধারণার শক্ত ভিতে হঠাৎ করেই নাড়া দেয় তার বড় মেয়ে নাবিলা। যে কি না সুমির চোখে পৃথিবীর সবচেয়ে আদর্শ এবং বাধ্যগত মেয়ে।
যুক্তরাজ্যের পটভূমিকায় লেখা “হৃদয়ের রসায়ন” উপন্যাস করোনা অতিমারীর সময় সুনির সংসারের পাঁচজনের জীবনের গল্প। ছিমছাম সাজানো সংসারটা কেমন করে আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে, সেই গল্প সর্বোপরি মা এবং মেয়ের হৃদয়ের রসায়নের গল্প।

জল পালঙ্ক

বাস্তবতার চরম নিরিখে পৃথিবীতে কিছু কিছু মানুষ না পাওয়ার দলে পরে যায়। তাঁরা ভীষণ ভালো মানুষ হওয়া সত্ত্বেও বিধাতা কেন জানি তাঁদের সবকিছু থেকে বঞ্চিত করে রাখেন। তাঁরা কারো ভালোবাসা পায় না, বন্ধু পায় না, মৌলিক চাহিদাটুকু পায় না, কান্না করার জন্য নিজের একটা ঘর পায় না, বর পায় না, সংসারও পায় না। পায়না একটা সন্ধ্যামণি ফুলও! শুধু না পাওয়ার স্রোতে ভাসতে থাকে ঘনকৃষ্ণ অন্ধকারে। আহা কি দ্বন্দ্ব ও দ্যোতনার এই দুর্বর্ণ জীবন।

কাগজের পুরুষ

"উপন্যাস সাহিত্যের আদি অন্যতম প্রধান শাখা। ধারণা করা হয়, যখন পৃথিবীর কোনো অক্ষর জ্ঞান ছিলো না, তখনও মানুষের ভাবনায় উচ্চারণে নানামুখী জীবনের অব্যক্ত গল্প ভাবনা থাকতো । কবিতার মতো উপন্যাস খুব একটা ঋতু বদল করেনি। তবে আধুনিক উপন্যাসের ধরণ খানিকটা বদলেছে বলা চলে । কারণ আগে উপন্যাসের বিষয়বস্তু এবং সব গুলো চরিত্র গল্পাকারে এক সাথে লিখা হতো। তবে আগের ধারাকে ঠিক রেখে এখন আধুনিক লেখকরা সিনেমাটিক ওয়েতে প্রতিটি চরিত্রকে ভাগ ভাগ করে সাজিয়ে থাকেন পুরো গল্পটায়।
‘কাগজের পুরুষ' কাব্য-উপন্যাসটিও ঠিক তেমনভাবেই লিখা। এতে এমন কিছু চিত্র তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান সমসাময়িক বিষয়কে ঘিরে যার ৮০ শতাংশই সত্য। একজন যৌন কর্মীর জীবনকে তিন ভাগে তুলে এনেছেন লেখিকা এখানে। শতভাগ সত্যতা ফুটিয়ে তুলতে লেখিকা নিজে পতিতালয়ে দুই দিন এক রাত থেকেছেন সেই সব নারীদের মাঝে । সমাজ পতিতা বা প্রস্টিটিউট তাদের বলে যারা শুধু তিন বেলা পরিবারের কিছু মানুষকে ভাতের গন্ধ দেয়ায় এই পেশা বেছে নেন। কিন্তু সত্যিকারের কর্পোরেট প্রস্টিটিউট আমাদের সকলের আশেপাশে শতশত । যাঁরা মেধাকে ব্যবহার না করে শর্টকাটে উপরে উঠতে শরীরকে পূঁজি করে। তিন বেলা শুধু মোটা চালের তিন থালা ভাতের গন্ধ নেয়ায় দিন তিনশো থেকে পাঁচশ টাকায় যারা সম্ভ্রম বিলায় তারা প্রস্টিটিউট নয় । এই সমাজ তাদের নামের আগে এই শব্দ জুড়ে দিয়েছে। কারণ যে মানুষটার এই ২০২২ সালে এসেও দিন পাঁচশ টাকা হলে ৪/৫ জনের একটা পরিবার দিব্যি খেয়ে পরে হাসিমুখে বাঁচে। সমাজের বিত্তবানরা তাদের দিকে ফিরেও তাকায় না। কিন্তু দিব্যি-এক ঘণ্টা-এক রাতের বিনোদনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা তাদের পেছনে খরচ করে যারা সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই কালো গ্লাসের গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পরেন শহরের নামি দামী পয়সাওয়ালাদের ঝাড় বাতি হতে। যতদিন সমাজ থেকে এই ঝাড় বাতির মিছিল দূরীকরণ না হবে ততদিন এই সমাজ অর্ধ বিকলাঙ্গই রয়ে যাবে। প্রস্টিটিউট নাম বহনকারী একজন নারীর জীবন ঠিক কতটা নিখুঁত পরিচ্ছন্ন কঠিন হতে পারে তা নিজ চোখে অবলোকন না করলে বোঝানো যাবে না। যে দেশে এক কেজি সরু চালের দাম ৯০ টাকা থেকে ১০০ টাকা। সেই দেশে এখনো ৭০-৮০ টাকার বিনিময়ে পতিতালয়ে একজন নারীর শরীর পাওয়া যায়।
এই লজ্জা কার ?????

ডাইনী সমাপ্তি

"ডাইনী' আর 'ডাইনী পুনরাগমন' পাঠকের মনে নানা প্রশ্নের উদ্রেক করেছিল।
'ডাইনী', যেখানে অজ্ঞাতনামা এক লাশের সাথে পাওয়া ডায়েরিতে মৃত ব্যক্তি নিজেকে ডাইনী বলে দাবি করে। চিরযৌবন আর অমরত্ব ধরে রাখতে ডাইনীদের এক বিশেষ ধরণের 'তামালিক' পুরুষদের সাথে যৌন সম্পর্ক তৈরী করতে হয়। ডাইনীরা তামালিক পুরুষের প্রাণশক্তি নিজের মধ্যে ধারণ করে নেয় ফলে অকালে মৃত্যু হয় তামালিকের। ডাইনীদের মাঝে মানবিক অনুভূতি অনুপস্থিত থাকলেও মানব মনের অব্যক্ত গোপন কথা জেনে, মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার নিষিদ্ধ আনন্দ পায়। তবে এরা যদি সত্যি সত্যি কাউকে ভালোবেসে সন্তান ধারণ করে, তবে তাদের ডাইনী শক্তি নিঃশেষ হয়। শেষ পর্যন্ত গল্পের ডাইনী নিজেকে সংযত করতে পারে না, ডাইনী থেকে পরিণত হয় এক সাধারণ মানবীতে, রেখে যায় উত্তরসূরিকে । কিন্তু কোথায় সে ?
সিরিজের পরবর্তী বই 'ডাইনী পুনরাগমন' এ শাহানা নামের মেয়েটি নিজের অলীক শক্তি আবিষ্কার করে । ডাইনী শক্তি ব্যবহার করে নিজের সাথে হওয়া ঘোরতর অন্যায়ের প্রতিশোধ নেয় সে। এই যাত্রায় তার সাথে পরিচয় হয় জীবনের প্রথম তামালিক পুরুষ লেখক আনোয়ার সাদাতের। গল্পের শেষে শাহানা লেখকের জন্য একটি রেস্টুরেন্টে অপেক্ষা করতে থাকে। শাহানা জানে না লেখক তার সাথে দেখা করতে আসবে কিনা। পাঠকের মনেও প্রশ্ন তৈরী হয়, আনোয়ার সাদাত কি এসেছিল ডাইনী শাহানার পাতা জালে আটকে যেতে?
সিরিজের শেষ বই 'ডাইনী সমাপ্তি' তে পাঠকের সব কৌতূহল মেটানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কোথায় তবে শাহানার গন্তব্য? ডাইনী শক্তি বলে আসলেই কি কিছু আছে? থাকলে তার উৎস কোথায় ?
ডাইনী জীবনের পরবর্তী উত্তেজনাপূর্ণ যাত্রার সহযাত্রী হওয়ার আমন্ত্রণ রইলো 'ডাইনী সমাপ্তি' তে। ('ডাইনী সমাপ্তি' পড়ার আগে 'ডাইনী' এবং 'ডাইনী পুনরাগমন' পড়া থাকলে এই বইটি
পাঠকের জন্য বেশি উপভোগ্য হবে বলে আমার বিশ্বাস)"

সে এসে বসুক পাশে (হার্ডকভার)

'আমার যে একটা বিয়ে হয়েছিল, এই পরিচয়টা কি কখনো মুছে ফেলা যাবে? যাবে না।' ‘আজাদ বলল, ‘জীবনভর ভুল মানুষের কারণে আমাদের জীবনে অসংখ্য ভুল হয়। সেই ভুল থেকে ক্ষত তৈরি হয়। কিন্তু সময় সেই ক্ষত ক্রমশই মুছে দিতে থাকে। আর আমরা যারা বোকা তারাই কেবল সেই ক্ষতগুলো খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আবার দগদগে ঘায়ে রূপান্তরিত করি। তাকে শুকাতে দেই না।’ ‘কিন্তু সময় যদি কারো ক্ষত শুকিয়ে দিতে না পারে? যদি তা দুঃসহ স্মৃতি হয়েই থেকে যায়?’ ‘তাহলে সেটি মোছার ব্যবস্থা করতে হবে।’ ‘কীভাবে মুছব?’ ‘অনেক অনেক ভালো স্মৃতি তৈরি করে। ঘরের দেয়ালে নোনা ধরলে কিংবা পলেস্তরা খসে গেলে আমরা কী করি? তেমনই রেখে দেই? যাতে ধীরে ধীরে পুরো বাড়িটাই নষ্ট হয়ে যায়?’ ‘উহু। ‘তাহলে? আমরা তাকে ধুয়ে মুছে নতুন রঙ করি। যাতে সেই নোনা ধরা দেয়াল ঝলমলে হয়। নষ্ট হয়ে না যায়। জীবনও তেমনই। এখানেও এর দেয়ালজুড়ে অসংখ্য ক্ষত তৈরি হয়, নোনা ধরে। সেসব ধুয়ে মুছে নতুন রঙ না করলে তা আরও বাড়ে। বাড়তেই থাকে। তারপর নষ্ট করে ফেলে পুরো জীবনটাই। ‘ঘরের দেয়াল রঙ করা যায়, জীবনের না। কারণ, জীবনের রঙ কোথাও কিনতে পাওয়া যায় না।’ ‘যায়। কিন্তু আমরা তা কিনতে জানি না।’ ‘কীভাবে?  ‘জীবনের রঙ হলো ভালো মুহূর্ত, সুন্দর স্মৃতি। দ্যা বিউটিফুল মোমেন্ট অ্যান্ড দ্যা বিউটিফুল মেমোরিজ। তুমি জীবন জুড়ে যত বেশি ভালো স্মৃতি তৈরি করতে পারবে, তত বেশি ওই নোনা ধরা খারাপ মেমোরিজগুলো ঝাপসা হয়ে যেতে থাকবে। ক্ষতগুলো শুকিয়ে যেতে থাকবে।’

দ্য বুক অব জয় (হার্ডকভার)

ঠোঁট প্রসারিত করে হাসা খুবই সোজা। কিন্তু, যতক্ষণ না সেই হাসিটা মন থেকে আসছে, তুমি অভিনয় করে নিজের সাথে জিততে পারবে না। হাস্যোরসযুক্ত মানুষ অনেক বেশি খুশি থাকেন। এর পেছনে প্রধান কারণ, লাইফের বাজে পরিস্থিতি -গুলোকে হালকাভাবে নিতে পারা। ওই পরিস্থিতিতে’- হাস্যোজ্জ্বল থেকে কৌতুক করতে পারাটা বোঝায় তুমি নিজের উপরে নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছ।

ব্যাক বেঞ্চের বালিকা

"আমাদের বর্তমান জীবন নানাবিধ জটিলতায় আচ্ছন্ন। সময়ই একটি উপাখ্যান। চলমান বহুমুখী সংকটকে সাহিত্য শিল্পে গাথুঁনি দেওয়া সৃজনশীল লেখকের দায়বদ্ধতা। শাহমুব জুয়েল সমকালীন জীবনযাত্রা ও সংকটের কাহিনিকে অনুষঙ্গ করে গল্পের বিবরণে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তাঁর গল্পে ছিন্নমূল মানুষের জীবন, বেদে শ্রেণি, খাল ও বিল দখল, ভন্ডামি, বহুবিবাহ, নারী লিপ্সা, পরিবেশ বিপর্যয়, সামাজিক দীনতা, তোষামোদি, কিশোর গ্যাঙ ও তাদের উৎপাত, পারিবারিক ভাঙন, তৃতীয় লিঙ্গের সামাজিক দুরত্ব, মুক্তিযুদ্ধের সময় ধূ ধূ মাঠ, বিভৎস লাশ এবং মুক্তিচেতনা গল্পকে ভিন্নমাত্রায় নিয়ে হয়। গল্পে যখন এসব উপাদান সুবিন্যস্তভাবে ফুটিয়ে তোলা যায়, তখন তা হয়ে ওঠে সময়োপযোগী ও পাঠকপ্রিয়।
চমৎকার উপস্থাপন রয়েছে ‘ব্যাক বেঞ্চের বালিকা’ গল্পে। গল্পের মেয়েটি হতদরিদ্র কিন্তু নিজ চেষ্টায় গ্রাম্যসংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে। সাধারণ ঘর থেকে অসাধারণ মেধা ও সক্ষমতা নিয়ে গণমানুষের আইকন হয়ে ওঠে। অবিশ্বাস্য পারফর্মেন্সের কারণে জীবন হিমালয় জয়ী কন্যা। বাঙালি নারী হিসেবেও সে সৌভাগ্যবান ও জয়িতা। ‘ব্যাক বেঞ্চের বালিকা’ গল্পগ্রন্থে’ শাহমুব জুয়েল গল্পায়ন ও শিল্প পরিবেশনে প্রাণন্ত চেষ্টা করেছেন। আশাকরি ‘ব্যাক বেঞ্চের বালিকা’ গ্রন্থটি সকলের ভালো লাগবে।
আনোয়ারা সৈয়দ হক
কথাসাহিত্যিক"

নাটাই ঘুড়ি

নিজের বৃত্ত থেকে বের হওয়ার অর্থহীন চেষ্টা নিরন্তর করে যায় মানুষ। যদিও দিন শেষে আবার নিজের বৃত্তেই ঘুরপাক খায়, তাতেই স্বস্তি বোধ করে। পুরনো সবকিছুর মায়ার টানে আটকে যায়।
মানুষের মন বড় রহস্যময়। ভুলে যাওয়া ভালোবাসাকেও সে খুব যত্ন করে ঠাঁই দিয়ে রাখে মনের কোনো অচিন কুঠুরিতে। প্রকৃতি মাঝে মাঝে কিছু কিছু বিভ্রান্তিকর দৃশ্য তৈরি করে, যেন মানুষ সুতো কেটে উড়ে যাওয়ার কথা কখনো না
ভাবে। যত দূরেই যাক না কেন, দিন শেষে যেন ফিরে আসে ভালোবাসার মায়াবী সুতোয় জড়িয়ে রাখা সংসারের নাটাইয়ে। আচ্ছা, সব ঘুড়ি কি আদৌ নাটাইয়ে ফিরে আসতে পারে? নাকি কিছু কিছু ঘুড়ি সুতো কেটে উড়ে যায় ওই সুদূর নীলাকাশে? কখনও কখনও কিছু ঘুড়িকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হয় নাটাই কিংবা ঘুড়ি নিজেই ব্যর্থ হয় নাটাইয়ের ভালোবাসার টান বুঝতে। কোথায় হয় তাদের ঠিকানা, কোথায় তারা খুঁজে পায় আশ্রয়, সব কি আমরা জানতে পারি?

প্রজাপতির ডানা

সমাজের কিছু অসঙ্গতি লেখকের মনকে পীড়া দেয় অহরহ । তেমনি কিছু অসঙ্গতি উঠে এসেছে কতিপয় হৃদয় ছোঁয়া ছোট গল্পের মাঝে। মনের সৌন্দর্যের তোয়াক্কা না করে পরীর শরীর নিয়ে সমাজপতি থেকে শুরু করে মাত্র যুবকে পরিণত হওয়া ছেলেটি পর্যন্ত যথেচ্চ ব্যবহার করে পরীর সরলতা আর বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার সুযোগে । এক সময় তাকে পাড়ি দিতে হয় অসীমের উদ্দেশ্যে লোভাতুর পশুত্বের শিকার হয়ে। শুধু রূপের কারণে আপন বোন জামাইয়ের কাছে দিনের পর দিন ভোগের শিকার হতে হয় অসহায় অবলা একটি মেয়েকে। এমনি কত শত নাম না জানা পরিদের হাহাকার কানে আসে ইথারে ভেসে। ইথারে ভেসে আসা হৃদয় নাড়া দেয়া সেরকম কাহিনি নিয়ে তৈরি গল্পগ্রন্থ “প্রজাপতির ডানা” ।

তীরন্দাজ (হার্ডকভার)

একজন নির্বাসিত তীরন্দাজ। নাম আর্থার। ধনুর্বিদ্যায় পারদর্শী। জানে যুদ্ধের সুকৌশলও। সমুদ্র পথে আপন রাজ্য এন্টালিস ছেড়ে চলে আসে আল্টাটিকে। এদিকে আল্টাটিকের রাজকুমারী এ্যাডেলিনা। রূপে অপরূপা। স্বর্গের অপ্সরা যেন! বলা যেতে পারে স্বর্গের ফুল ফুটে উঠেছে ধুলোবালির এই পৃথিবীতে। অথচ রহস্যময়ী একজন নারী। প্রায় রাতেই একজন করে সুদর্শন পুরুষের সাথে রাত্রিযাপন করে। এবং ভোরের আলো প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই তাকে হত্যা করে ভাসিয়ে দেয় সমুদ্রের জলে! একদিন রাজকুমারী এ্যাডেলিনা মুগ্ধ হয় তীরন্দাজ আর্থারের ধনুর্বিদ্যা দেখে। রাজকুমারীর বুকের অতলে জমতে থাকতে অনুভূতির উষ্ণতা। প্রকৃতির নিয়মে জমজমাট হয়ে উঠে এই দুই মানব-মানবীর প্রেম। অথচ এদের সম্পর্কে পূূর্ণতা আসে না। বিষ কিংবা বিষাদের তীর যেন অষ্টপ্রহর টংঙ্কার তুলে তীব্র গতিতে ধেয়ে আছে মানুষের সম্পর্কের শরীরে...। কিন্তু কেন? তীরন্দাজ এমন একটি উপন্যাস না প্রেমের না যুদ্ধের। উপন্যাসটি মূলত বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের।একজন নির্বাসিত তীরন্দাজ। নাম আর্থার। ধনুর্বিদ্যায় পারদর্শী। জানে যুদ্ধের সুকৌশলও। সমুদ্র পথে আপন রাজ্য এন্টালিস ছেড়ে চলে আসে আল্টাটিকে। এদিকে আল্টাটিকের রাজকুমারী এ্যাডেলিনা। রূপে অপরূপা। স্বর্গের অপ্সরা যেন! বলা যেতে পারে স্বর্গের ফুল ফুটে উঠেছে ধুলোবালির এই পৃথিবীতে। অথচ রহস্যময়ী একজন নারী। প্রায় রাতেই একজন করে সুদর্শন পুরুষের সাথে রাত্রিযাপন করে। এবং ভোরের আলো প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই তাকে হত্যা করে ভাসিয়ে দেয় সমুদ্রের জলে! একদিন রাজকুমারী এ্যাডেলিনা মুগ্ধ হয় তীরন্দাজ আর্থারের ধনুর্বিদ্যা দেখে। রাজকুমারীর বুকের অতলে জমতে থাকতে অনুভূতির উষ্ণতা। প্রকৃতির নিয়মে জমজমাট হয়ে উঠে এই দুই মানব-মানবীর প্রেম। অথচ এদের সম্পর্কে পূূর্ণতা আসে না। বিষ কিংবা বিষাদের তীর যেন অষ্টপ্রহর টংঙ্কার তুলে তীব্র গতিতে ধেয়ে আছে মানুষের সম্পর্কের শরীরে...। কিন্তু কেন? তীরন্দাজ এমন একটি উপন্যাস না প্রেমের না যুদ্ধের। উপন্যাসটি মূলত বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের।

হিজলতলি (হার্ডকভার)

শেরেবাংলা নগর থানায় ধরে নিয়ে আসা হয়েছে নুরুজ্জামানকে। অফিসে বসে থাকতে থাকতে কী যেন হয়ে গিয়েছিল তার। ভেঙেচুরে একাকার করেছে সে তার অফিসের ঘর। ফলশ্রুতিতে এখন হাজতবাস। থানায় বসে সে রুনুর কথা ভাবে। তার জীবনযাপনের সঙ্গী, দৈন্যের সঙ্গী রুনু। অনাগত সন্তানকে নিয়ে যে হারিয়ে গিয়েছে কালের গর্ভে। এ যেন এক অব্যক্ত সময়ের গল্প। সমাজে, রাষ্ট্রে, প্রতিষ্ঠানে কিংবা ব্যক্তিমানুষের ভেতরে ঘুণপোকার বিনাশী কর্মকাণ্ড ঘটে চলেছে। সকলের চোখের আড়ালে রচিত হয়ে চলেছে অবক্ষয়ের পঙ্ক্তিমালা। তারই কিছু অমোঘ চিহ্ন উঠে এসেছে গল্পকার কিঙ্কর আহসানের গল্পগ্রন্থ হিজলতলি-র গল্পগুলোতে। ইতোমধ্যেই গল্পকারের ভাষা ও আঙ্গিকের বহুমুখিতা তাঁকে বিশিষ্ট করে তুলেছে পাঠকের মাঝে। ”হিজলতল “ কিঙ্কর আহসানের পাঠকপ্রিয় গ্রন্থসমূহের মাঝে এক নবতর সংযোজন।

দ্য গ্রেটেস্ট অন্ট্রাপ্রেনর মুহাম্মাদ [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম] (হার্ডকভার)

অস্থিতিশীল বাজার। দ্রব্য-মূল্যের উর্ধ্বগতি। ঝুঁকিতে আমদানি-রপ্তানি খাত। ভেঙে পড়ছে ব্যাংকিং সিস্টেম। বাড়ছে ঋণখেলাপির দায়। মূল্যস্ফীতিতে টালমাটাল বিশ্ব। অজানা শংকা বিরাজমান ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতিতে। দূর্ভিক্ষের অশনি সংকেতে পেরেশান জন-সাধারণ। এর কারণ কী? কী কারণে ঘটছে এমনটা? এসব সমস্যার সমাধান কোথায়?

যে যাই বলুক বা যত ব্যাখ্যাই করুন; ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি সম্পর্কিত এসব সমস্যার সমাধান একটাই—মানবতার নবি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন ধারা ও জীবনার্দশের অনুকরণ ও বাস্তাবায়ন। আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনের সুরা আহজাবের ২১ নং আয়াতে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের জন্য রাসুলের জীবনে রয়েছে অনুকরণীয় সুন্দরতম আদর্শ।’ সুতরাং ব্যবসা-বাণিজ্যগত এই ক্রাইসিস, অর্থনৈতিক মন্দা এবং নৈতিক ও মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে মহানবি হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্দরতম আদর্শ অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। 
ব্যবসা-বাণিজ্য ও পেশা-ক্যারিয়ারে সফল হতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্যবসায়িক জীবনের ইতিহাস ও দিক-নির্দেশনার অনবদ্য একটি গাইডলাইনমূলক বই—‘দ্য গ্রেটেস্ট অন্ট্রাপ্রেনর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।’ বইটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো—বর্তমান সময়ের সফল মানুষরা ব্যবসা ও আত্মউন্নয়নের জন্য যেসব গুণ-অভ্যাস ও ব্যবস্থাপনা-কৌশল অনুসরণ করার কথা বলেন; সেসব গুণ-অভ্যাস ও ব্যবস্থাপনা-কৌশলকে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনদর্শনের আলোকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। পাশাপাশি আধুনিক ব্যবসা উন্নয়নে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লামের কর্ম, আদর্শ ও দিক-নির্দেশনাসহ তাঁর রণনীতির প্রয়োগযোগ্যতা প্রমাণ করা হয়েছে।
ব্যবসাজীবনে আপনি কি সফল হতে চান? শ্রম বিনিময় মাধ্যমে স্বার্থক একটি জীবন গড়তে চান? সফল একজন উদ্যোক্তা হিসেবে সফল একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা-ই কি আপনার জীবনের একমাত্র স্বপ্ন? সর্বপরি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবনার্দশের আলোকে সুন্দর একটি ক্যারিয়ার গড়ে আপনি কি সফল মানুষ হতে চান? তাহলে এই বই হবে আপনার জন্য সময়ের সেরা উপহার।"

Transformation (Hardcover)

" Transformation " is such a poetry book, where author has tried, to show the reel of life, from its painful states to a lovely part. There are so many writes, always try to reflect the lively art of life. Whether use of metaphor, simile, rhymic, lyric etc. whatever ; author ""S Afrose"" has tried to express her feelings, thoughts in motion; using the spirit of mind, with passionate vibes. 
We hope, this book (from Anyadhara) will be accepted by our valuable readers (BD or Abroad), like other ones (published from Anyadhara ).
May this poetic magic help to resolve all unexpected, painful states , for the beautiful life.
Thanks!

মেঘ ফুল বৃষ্টি (হার্ডকভার)

"সে ডুবে গেল!
মৃত্যুর পর সে ডুবে গেল গভীর কালো এক অন্ধকারে। এই অন্ধকার থেকে মুক্তির উপায় কারো জানা নেই, যে একটু আগে মারা গেছে তার যে কী ভীষণ যন্ত্রণা ছিল কিংবা তার জীবনের সুখের মাত্রাটাইবা কি ছিল; সেটা ও ছাড়া আর কেউ কখনো জানবে না। পৃথিবীর সবটুকু কালো যখন মানুষটাকে নিজের মধ্যে গ্রাস করে নিল তখন সে বুঝল...
বইটা এখানেই শেষ।
শেষ বলতে এর পরের অংশটুকু নেই। চমৎকার একটি উপন্যাসের শেষটুকু নেই। এর কোনো মানে হয়?
তিনদিন হলো আশরাফ উদ্দিন অফিস থেকে ফিরে বইটি পড়ছেন। আজকে শেষ পাতায় এসে বাধ্য হয়ে তাঁকে থামতে হলো। চমৎকার একটি উপন্যাসের শেষের কিছু পাতা না থাকায় তিনি জানতে পারছেন না কী পরিণতি হয়েছে মার্কের, জানতে পারছেন না পাহাড়ের খাদে নতুন যে বাড়িটি বানিয়েছে মার্লিন দম্পতি তাদের কী অবস্থা এখন; অথবা বিটকেল বুড়োটা নদী থেকে ফিরে কী তুলকালাম করেছে। রাখাল ছেলেটা যে সদ্যবিবাহিত মেয়েটির প্রেমে পড়েছে তারইবা কী হবে?"

একদিন প্রতিদিন (হার্ডকভার)

বিজনের ঘরের প্রতিটা কোনায় তার ছোঁয়া আছে। দেয়ালে ঘড়ির পাশে কাঁপড়ের ডিজাইন করা ওয়ালমেটের দিকে তাকালে তাকে মনে পড়ে। ক্যালেন্ডারের পুরোনো পাতায় লাল, কালো দাগ গুলোও মনে করিয়ে দেয় যে সেই মানুষ টা এই ঘরটায় থাকতো।
কী অদ্ভুত! মানুষ টা নেই, অথচ ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা স্মৃতিগুলো আজও মানুষ টা'কে ভুলতে দেয় না।

উপসংহারে তুমি আমি (হার্ডকভার)

এই ভূমিকায় আপনাদের একটা গল্প বলি।
এই এত্তবড় গল্পটার পেছনের গল্প। প্রথম যখন লেখা শুরু করি ‘উপসংহারে তুমি আমি’ তখন গল্পটা এত বড় ছিল না। খুবই ছোট্ট একটা সাধারণ প্লট। দুই মামাতো ফুপাতো ভাই বোনের মধ্যে হওয়া প্রেম-ভালোবাসা ও প্রণয়ের গল্প। আমার অনুমান আমাকে জানিয়েছিল খুব বেশি হলে সাত থেকে দশ পর্বে গল্পটা শেষ হবে। তারপর যখন মনস্থির করে গল্পটা ফেসবুকে দেয়া শুরু করলাম টের পেলাম সেই ছোট্ট গল্পটাই যা আমি তিন ভাগে বিভক্ত করেছিলাম, প্রথম অংশই যেন দশ পর্বে শেষ হয় না।

দ্য লাস্ট উইশ (হার্ডকভার)

দানব হত্যার জন্য মানবরা তৈরি করে একদল বিকৃত ও রূপান্তরিত যোদ্ধা, যাদের বলা হয় উইচার। গেরাল্ট এমনই এক উইচার যার কাজ হলো অর্থের বিনিময়ে দানব হত্যা করা। যদিও সম্মান আর সম্মানি, এ দুটোর দর্শন একই পথে মেলে খুব কমই। তাপরেও নিজের নীতিতে অটল গেরাল্ট চেষ্টা করে সমস্ত অবহেলা আর ঘৃণাকে তুচ্ছ করে কেবলই নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে। তৈরি করতে এমন এক জগত যে জগতে কোনো দানব নেই। ফলে নই উইচারের প্রয়োজনীয়তাও।
কিন্তু সাদা-কালোর সুস্পষ্ট বিভাজন না মেনে চলা এই জগতে যেমন দানবের দেহে আটকা পড়া মানব আছে, তেমনি আছে মানবের দেহে ঘাপটি মেরে থাকা দানবও। আর এই দানবগুলো যেমন মাঝে মাঝে বিভান্ত করে দেয় উইচারের তলোয়ারকে, তেমনি নীতির আদালতে তুলে দেয় তার বিবেককেও।"

মুসাফিরের ক্যানভাস (হার্ডকভার)

সাহিত্যের সবচেয়ে সৃষ্টিশীল জায়গা হলো কবিতা, শৈল্পিক কারুকাজে জীবনের রসবোধ তুলে ধরার এ মাধ্যমে নিজেকে হাতুড়ে চিকিৎসকের মতো মনে হয়।
অনেক সাধনার এ বিষয়টি নিয়ে লেখার ধৃষ্টতা করেছি মহান রাব্বুল আলামিনের রহমতের অছিলায়। জীবনের নিগুঢ় সত্যিগুলো আবেগ তাড়িত মনে জমাটবদ্ধ হয়ে গেছে একটু একটু করে, সময় ও পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চরিত্রের যে পরিবর্তন, ভালোবাসার অবশায়ন, স্বার্থের ধারালো আঘাতে বিদীর্ণ সম্পর্কগুলোর আকুলতা, সর্বোপরি মহা প্রস্থানের যাত্রায় আমাদের রুগ্ন সম্বল নিয়ে বিচলিত মননের কিছু প্রতিচ্ছবি আমার কবিতার মূল উপজীব্য।

ইকিগাই (হার্ডকভার)

টোকিয়োর এক বৃষ্টিভেজা রাতে এই বইয়ের সূত্রপাত হয়, যখন লেখকদ্বয় প্রথমবার শহরের একটি ছোটো বারে একসাথে বসে ছিলেন।
আমরা একে অপরের লেখা অনেকবার পড়েছি। কিন্তু জাপানের রাজধানী থেকে বার্সেলোনা হাজার হাজার মাইল দূরে হওয়ায় কখনো সামনাসামনি দেখা হয়নি। তারপর পরস্পরের পরিচিতি একজন বন্ধু আমাদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে একটি বন্ধুত্বের সূচনা ঘটান, যা এই প্রকল্পের দিকে পরিচালিত হয় এবং মনে হয় এটি আজীবন স্থায়ী হবে।
এক বছর পরে যখন আবার একত্র হয়েছিলাম, তখন আমরা টোকিয়োর শহরতলিতে একটি পার্কের মধ্য দিয়া হাঁটতে হাঁটতে পশ্চিমা মনোবিজ্ঞানের প্রবণতাগুলো, বিশেষত, লোগোথেরাপির বিষয়ে কথা বলেছি, যা মানুষকে জীবনের উদ্দেশ্যে খুঁজে পেতে সহায়তা করে। <br> <br> আমরা মন্তব্য করেছিলাম, ভিক্টর ফ্র্যাঙ্কলের লোগোথেরাপি এখন আর তেমন সচল নেই। যদিও অনেক মানুষ এখনও তারা কী করছে এবং কীভাবে জীবনযাপন করে- তার মাঝে জীবনের অর্থ অনুসন্ধান করে। আমরা নিজেদেরকে জিজ্ঞাসা করি; আমার জীবনের অর্থ কী? কেবল দীর্ঘকাল বেঁচে থাকাই কি জীবনের উদ্দেশ্য, নাকি আমার আরও উচ্চতর উদ্দেশ্যের সন্ধান করা উচিত? কিন্তু লোক কেন জানে তারা ঠিক কী চায় এবং জীবনের প্রতি অনুরক্ত হয়, আর অন্যরা কেন বিভ্রান্তিতে নিমজ্জিত হয়? আমাদের কথোপকথনের এক পযায়ে, রহস্যময় শব্দ ‘ইকিগাই’ উঠে এলো।

বদলে যাওয়া মন (হার্ডকভার)

সময়ের তাড়নায় প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসার ঢেউ নাড়া দেয়। জোয়ার ভাটার এই খেলায় কিছু লাভ ক্ষতির হিসেব নিকেশ জমা হয়। অল্প সল্প ভালোলাগা, ছোট্টো ছোট্টো চাওয়া পাওয়া নিয়ে যায় প্রেম ভুবনে। নিউরনে এক ধরনের উত্তাল কম্পন গড়ে তোলে। অজানা, অদেখা এই ঢেউ, এই ভালোবাসার রঙ ফুটে উঠে পাওয়ায়, না পাওয়ায়। কখনো ভালোবাসা হয়ে যায় রঙ্গিন, 
কখনো বেদনা হয়ে যায় নীল। 
ইচ্ছে করে বলতে ‘এই যে দেখো, কাছে আরো, স্পর্শ করে বুক ধ্বনিত হবে, অনুভবে তবে, জ্বালাময়ী অসুখ।
কখনোবা কষ্টের লাল রঙ ভেসে উঠে, কখনোবা মৌনতার ঝড় উঠে। চুপি চুপি কে যেন বলে যায় ‘দুজনের মাঝে যুদ্ধের কড়া হরতাল আজ,
মৌনতা যেনো রণক্ষেত্রের সাঁজ।
এভাবেই কিছু ভালোবাসা পূর্ণতা পায় কিছু হারিয়ে যায় কালগহ্বরে। যত ঝড় আসুক, যত যাতনা আসুক ভালোবাসগুলো ঠাই পাক প্রেমিক-প্রেমকার হৃদয়ের মণিকোঠায়। বেঁচে থাকুক ভালোবাসা, ভালোবাসার মানুষগুলো।

কাইজেন (হার্ডকভার)

এটি এক বিশেষ জাপানি সিক্রেট, যা আপনার অভ্যাসকে পরিবর্তিত করতে পারে আর নতুন চ্যালেঞ্জকে আঁকড়ে ধরার জন্য আপনাকে সহায়তা করতে পারে। এটি আপনার ক্ষুদ্রতম সময় পরিসরে ক্ষুদ্রতম একটি পদক্ষেপের মতই। 
পরিবর্তনকে আমাদের চোখে সব সময় সর্বপ্লাবী বা সর্বগ্রাসী বলে মনে হতে পারে। কিন্তু কাইজেন প্রণালীর দ্বারা ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টার মাধ্যমে নিজের দায়িত্বটি সুচারুভাবে পালন করতে আমরা সহজে সক্ষম হয়ে উঠতে পারি। তাই নিজের জীবনে কিভাবে কাইজেন প্রয়োগ করবেন, সেটা আয়ত্ত করুন। এই অসাধারণ পথনির্দেশক পদ্ধতির মাধ্যমে কিভাবে ছোট্ট একটি প্রচেষ্টার অবয়বে আপনি নিজের লক্ষ্যে প্রশান্তির সাথে গিয়ে পৌঁছাতে পারেন, সেটা শিখে নিন। 
আপনি নিজের স্বাস্থ্য, সম্পর্ক, ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী পরিবর্তন আনতে চাইছেন, সেটা চিন্তার কোন কারণ নয়। কিংবা আপনি নিজেকে আরো বেশি প্রশান্ত, সুখী আর আত্মপ্রত্যয়ী হিসেবে দেখতে চাইছেন, সেটাও কোনো বিষয় নয়। কারন, সকল ক্ষেত্রে কাইজেন-ই হচ্ছে প্রমাণিত এবং পরীক্ষিত পদ্ধতি, যা অত্যন্ত নমনীয়তার সাথে আপনাকে পরিবর্তনের পথে পরিচালিত করতে পারে।

অলকানন্দা (হার্ডকভার)

অলকানন্দা একজন যুদ্ধশিশু যে মুক্তিযুদ্ধের পর পরই কানাডার দত্তক শিশুদের সংস্থার মাধ্যমে রিগা  ও অ্যা-্রু গারফিল্ডের সন্তান হিসেবে এলি গারফিল্ড নাম ধারণ করে। বর্ণবাদ, নিজের আসল পরিচয় উন্মোচিত হওয়া, দত্তক মা-বাবার মৃত্যু, যৌন নির্যাতন, সবকিছু মিলিয়ে জীবনের কঠিন সময়ে জাপানি ডাক্তার নোয়াগামিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেয়ে জাপানে চলে যায়। স্বামীর সূত্রে সেখানে তার সুন্দর একটি পরিবার মেলে। কেইকো’র মতো খুনসুটিতে ভরা দাদিশাশুড়ি পেলেও মনের ভেতর জন্মদাত্রী মাকে একটিবার দেখার জন্য আকূলতা তাকে কেবলই গ্রাস করতে থাকে।
অনেক ঘটনার পর বাংলাভাষার শিক্ষক অপরাজিতার মাধ্যমে মাকে খুঁজে পায় সে।
অলকানন্দার জন্মদাত্রী মা মাধবীলতা চৌধুরীর জীবনের করুণ কাহিনির বর্ণনাও পাওয়া যাবে এখানেÑ মুসলিম গৃহশিক্ষক নাজিব মৃধার সাথে প্রেম ও পালিয়ে বিয়ে, প্রথম সন্তানের নির্মম মৃত্যু, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক পাশবিক নির্যাতন, মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে আবার সুস্থ হওয়া এবং আরশাদ রহমানের সাথে বিয়ের ঘটনাও বর্ণিত হয়েছে।
মূলত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, কানাডায় যুদ্ধশিশুদের প্রেরণ ও হিরোশিমার ভয়ানক ধ্বংসযজ্ঞকে অলকানন্দার জীবন কাহিনির মাধ্যমে এক সূতায় গাঁথার চেষ্টা করা হয়েছে এই উপন্যাসে।

পারিবারিক সংকটে নবীজির উপদেশ

স্বামী-স্ত্রীর বন্ধন পৃথিবীর সবচেয়ে পবিত্র, মজবুত ও টেকসই বন্ধন। দুনিয়ার কোনো সীমারেখায় একে সীমাবদ্ধ করা যায় না। ক্ষণস্থায়ী এই জগৎ পেরিয়ে অনন্তকালের চিরস্থায়ী জান্নাত পর্যন্ত তা বিস্তৃত। দুজনের সুসম্পর্কের কারণেই গড়ে ওঠে প্রশান্তিময় পরিবার, সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র। পৃথিবীর প্রধান ও মূল উপাদান—মানুষ স্বামী-স্ত্রীর সেই স্বর্গীয় বন্ধনেরই সুফল।
 কিন্তু কিছু অনিয়ম ও অবহেলার কারণে পবিত্র এই সম্পর্কের মাঝেও আসে ভাঙন। সুখ-শান্তির এই ঘরেও হানা দেয় অশান্তির আগুন; যা তিলে তিলে শেষ করে দেয় দুটি পরিবার, দুটি জীবন। আমরা ভাবি পারিবারিক সব সমস্যার মূলে রয়েছে যুগ থেকে পিছিয়ে থাকা, আধুনিক না হওয়া। কিন্তু না, বর্তমান যুগের উচ্চ শিক্ষিত, সম্ভ্রান্ত পরিবারের আধুনিক ছেলে শাদি। বিয়েও করেছে উঁচু ফ্যামেলির উচ্চ শিক্ষিতা সুন্দরী মেয়ে নাদাকে। শুরুর দিকে তাদের দাম্পত্যজীবন চমৎকারভাবে প্রবাহিত হলেও কিছু দিন পর থেকে শুরু হয় ভীষণ টানাপোড়েন আর দ্বিমুখী দ্বন্দ্ব। ফলে কেউ কারও ছায়া পর্যন্ত আর দেখতে চায় না, বিচ্ছিন্ন থাকতে চায় সারাজীবন।
তা হলে মূল সমস্যা কোথায়? কী কারণে শিক্ষিত আধুনিক পরিবারগুলোও ভেঙে খান খান হয়ে যাচ্ছে? আর এর সমাধানই-বা কী? এই বইয়ে নাদা এসব জানতেই শরণাপন্ন হয়েছে পৃথিবীর সবচেয়ে সফল ও সুখময় দম্পতি আয়িশা ও মুহাম্মাদ ﷺ-এর কাছে। নাদা সিরাতের পাতায় আয়িশা রা.-এর কাছে এক এক করে তাদের সব সমস্যার কথা তুলে ধরে এর সমাধান ও প্রকৃত রহস্য জানতে চেয়েছে। আর তিনিও সবিস্তারে নববি দম্পতির খুঁটিনাটি সবকিছু বর্ণনা করে দিয়েছেন, আর উন্মুক্ত করেছেন সুখ, সফলতার সবকটি দুয়ার।
আশা করি এর মাধ্যমে তারাসহ পৃথিবীর সব দম্পতি খুঁজে পাবে সঠিক পথ, যার শেষপ্রান্তে রয়েছে নৈসর্গিক সুখের নিরাপদ নীড় ও নগর।

রুপালি গিটার

আইয়ুব বাচ্চু।

বাংলা গানের প্রবাদ পুরুষ। রুপালি গিটার তাঁর জীবনীকেন্দ্রিক গ্রন্থ। এ বইতে  সংগীতশিল্পী জয় শাহরিয়ারের সংকলন ও সম্পাদনায়  আইয়ুব বাচ্চুর জীবনের নানান দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন শহীদ মাহমুদ জঙ্গী, নকীব খান, কুমার বিশ্বজিৎ, সাইদ হাসান টিপু, হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল, বাপ্পী খান, নিয়াজ আহমেদ অংশু, আব্দুল্লাহ আল মাসুদ ও জয় শাহরিয়ার নিজেই। এলআরবির ইতিহাস তুলে ধরেছেন মিলু আমান ও হক ফারুক।

এছাড়াও ২০১২ সালে নেয়া একটি অপ্রকাশিত দীর্ঘ সাক্ষাতকার স্থান পেয়েছে যা নিয়েছেন আসিফ আসগর রঞ্জন। এর পাশাপাশি ডিস্কোগ্রাফি অধ্যায়ে আইয়ুব বাচ্চুর সকল অ্যালবাম ও প্রায় ৬০০ প্রকাশিত গানের তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন নিয়াজ আহমেদ অংশু।