• Your Othoba.com
Books & Stationery

You have no items in your shopping cart.

 

ইসলামী বই

851 products found

Sort by
Display per page
30% Off

মুসলিমের সুরক্ষা (পেপারব্যাক)

Tk 167 Tk 117

ব্যস্ততায় ভরা জীবনে একটু সময় করে আল্লাহকে স্মরণ করার ফুরসত মেলে না আমাদের। এভাবে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন থাকতে থাকতে একসময় আমাদের অন্তর মরে যায়। রাসূলুল্লাহ  ঠিক এমনটিই বলেছেন—
‘যে ব্যক্তি তার রবের যিকর করে আর যে ব্যক্তি তার রবের যিকর করে না, তাদের দুজনের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃতের মতো।’ [বুখারি, ৬৪০৭]
তা হলে, মৃত অন্তরে সজীবতা ফিরিয়ে আনার উপায় কী? আল্লাহকে স্মরণ করা। বেশি বেশি যিকর করা। কিন্তু মনগড়া যিকর করলেই হবে না। যিকর হতে হবে মাসনূন। অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ -এর সুন্নাহভিত্তিক।
‘মুসলিমের সুরক্ষা’ বইটি তেমনই একটি বই। রাসূলুল্লাহ  দৈনন্দিন জীবনে যেসব যিকর করতেন বা সাহাবিদের করতে উৎসাহিত করতেন, বক্ষ্যমাণ বইটি সেসবের-ই সংকলন। পাশাপাশি বইটিতে সুন্নাহ সম্মত ঝাড়ফুঁক বা রুকইয়াহ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। মাসনূন দুআ, ওযীফা ও রুকইয়াহ’র জন্য ‘মুসলিমের সুরক্ষা’ বইটি শাইখ ড. সাঈদ কাহতানি -এর এক অনবদ্য সংকলন।



50% Off

আবু বকর সিদ্দিক রাদি. (হার্ডকভার)

Tk 140 Tk 70

মক্কার আবু কুহাফার ছেলে আবদুল্লাহ। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একান্ত সঙ্গী। নবুওয়াত প্রাপ্তির আগে কিংবা পরে, নবিজির প্রিয় সাথি। বদর উহুদ খন্দক তাবুকের বীর সিপাহী, ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু।
নিজ গোত্রে তিনি ছিলেন সকলের সমাদৃত। ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা আচার-ব্যবহারে তিনি ছিলেন নম্র। সবার কাছে ছিলেন বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্ব। তার বিশ্বস্ততার প্রমাণ বিশ্ব মানবতার মুক্তিদূত নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে দিয়েছেন। নামকরণ করেছেন—সিদ্দিক—বিশ্বস্ত মুমিন।
ইসলামের প্রথম যুগেই তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন এবং ইসলামের ওপর আসা সময়ে সময়ে বাধা; লঙ্ঘন করে নবিজির সঙ্গদানে ধন্য করেন নিজেকে। হিজরত করেন নবিজির আদেশে। একান্ত সঙ্গী হন গারে সাওরে। ব্যথা-বেদনা মেনে নেন মাথাপেতে। নবিজির মৃত্যুপরবর্তী উম্মাহর রাহবার ছিলেন তিনি। ইরতিদাদের ভয়ঙ্কর ফিতনা থেকে উম্মতকে আগলে নিয়েছিলেন তিনিই। মিথ্যা নবি দাবীদারদের অহংকার ধুলোয় মিশিয়েছেন তিনিই। বিস্তৃত করেছেন মুসলিমদের সীমানা প্রাচীর। তিন বছরের বর্ণাঢ্য খিলাফত শেষে অব্যহতি নেন খিলাফত থেকে, দুনিয়া থেকে। পাড়ি জমান শ্রেষ্ঠ বন্ধুর কাছে। রাদিয়াল্লাহু আনহু ওয়া রাদু আনহু।
মিসরের প্রখ্যাত মুহাক্কিক, লেখক ও সাহিত্যিক শাইখ মুহাম্মদ আশরাফ আল-ওয়াহশ রচিত এর গ্রন্থ আমাদের এ মহান সাহাবিরই গল্প শোনাবে।

18% Off

ছোটদের আদব সিরিজ (পেপারব্যাক)

Tk 850 Tk 697

সবাই পৃথিবীর সেরা হতে চায়। তবে সেরা হওয়ার উপায় অনেকেই জানে না। সেরা হওয়ার প্রথম শর্তই হচ্ছে আদব-আখলাক সুন্দর হওয়া। আদব-আখলাক সুন্দর হলে সবাই উপকৃত হয়। ব্যক্তি যেমন শান্তিতে থাকে, তেমনি শান্তিতে থাকে তার পরিবার। আর এর সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে।
তুমি কি নবিজির প্রিয় হতে চাও? কিয়ামাতের দিন প্রিয় নবিজির কাছাকাছি থাকতে চাও? যেদিন সবাই পেরেশান থাকবে, সেদিন নবিজির কাছাকাছি থাকতে হলে আদব-আখলাক সুন্দর হওয়া চাই। প্রিয় নবিজি বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যার স্বভাব-চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর হবে, কিয়ামাতের দিন সে আমার সবচেয়ে প্রিয় হবে এবং আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে।
”আদব-আখলাক শেখার সবচেয়ে ভালো সময় শৈশবকাল। বড় হয়ে শেখা অনেক কঠিন। তাই বড়দের উচিত ছোটদের উত্তম আদব-আখলাক শিক্ষা দেওয়া। সুন্দর আদব-আখলাক গঠনের উদ্দেশ্যেই বহুদিনের প্রচেষ্টায় আমরা নিয়ে এসেছি ‘ছোটদের আদব সিরিজ’ এবং ‘ছোটদের আখলাক সিরিজ’। দুটি সিরিজের মোট বারোটি বই। যেখানে গল্পে গল্পে আদব ও আখলাকের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছোটদের উপযোগী করে সহজ সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য গল্প। গল্পগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের বিশুদ্ধ কিতাব থেকে। সাথে প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই রয়েছে আকর্ষণীয় কারুকাজের রঙিন রঙিন ছবি; যা মুহূর্তেই শিশুদের মন কেড়ে নেবে।

আখলাক সিরিজটির বৈশিষ্ট্:
আখলাক সিরিজে রয়েছে ছয়টি বই।
প্রতিটি বইয়ে আছে ২৪ পৃষ্ঠা।
প্রতি পৃষ্ঠায় আছে মনকাড়া সব রঙ্গিন ছবি ও দৃশ্য। তাই শিশুরা বিরক্ত হবে না।
ছয়টি বইয়ের মোট ১৪৪ পৃষ্ঠায় পাবেন শত শত শিক্ষণীয় গল্প ও ঘটনা।
প্রতিটি গল্পই নেওয়া হয়েছে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের বিশুদ্ধ কিতাব থেকে।
ফলে আপনার শিশু অনুপ্রাণিত হবে বিশুদ্ধ ইসলামি শিক্ষার আলোকে।
পুরো সিরিজটি সাজানো হয়েছে শিশুতোষ মন-মানসিকতার কথা মাথায় রেখে। তাই কোথাও জটিল শব্দ বা বড় বাক্য ব্যবহার করা হয়নি। সহজ সাবলীল করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যে শিশুরা নিজে থেকে এখনো বই পড়তে পারে না
মানে যাদের বয়স ছয় বছরের কম তারাও এই বইগুলো দেখতে ও শুনতে খুব পছন্দ করবে।
একটি সুন্দর গল্পই বদলে দিতে পারে আপনার শিশুর ভাবনার জগৎ।
আপনার শিশুর আদব-আখলাক যেন সুন্দর হয় সে উদ্দেশ্যেই সাজানো হয়েছে প্রতিটি পৃষ্ঠা, প্রতিটি গল্প।
- ছোটরা গল্প পড়তে পড়তেই জেনে যাবে শত শত বিশুদ্ধ হাদীস।

18% Off

ছোটদের আখলাক সিরিজ (পেপারব্যাক)

Tk 850 Tk 697

সবাই পৃথিবীর সেরা হতে চায়। তবে সেরা হওয়ার উপায় অনেকেই জানে না। সেরা হওয়ার প্রথম শর্তই হচ্ছে আদব-আখলাক সুন্দর হওয়া। আদব-আখলাক সুন্দর হলে সবাই উপকৃত হয়। ব্যক্তি যেমন শান্তিতে থাকে, তেমনি শান্তিতে থাকে তার পরিবার। আর এর সৌন্দর্য ছড়িয়ে পড়ে পুরো সমাজে।
তুমি কি নবিজির প্রিয় হতে চাও? কিয়ামাতের দিন প্রিয় নবিজির কাছাকাছি থাকতে চাও? যেদিন সবাই পেরেশান থাকবে, সেদিন নবিজির কাছাকাছি থাকতে হলে আদব-আখলাক সুন্দর হওয়া চাই। প্রিয় নবিজি বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে যার স্বভাব-চরিত্র সবচেয়ে সুন্দর হবে, কিয়ামাতের দিন সে আমার সবচেয়ে প্রিয় হবে এবং আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে।
”আদব-আখলাক শেখার সবচেয়ে ভালো সময় শৈশবকাল। বড় হয়ে শেখা অনেক কঠিন। তাই বড়দের উচিত ছোটদের উত্তম আদব-আখলাক শিক্ষা দেওয়া। সুন্দর আদব-আখলাক গঠনের উদ্দেশ্যেই বহুদিনের প্রচেষ্টায় আমরা নিয়ে এসেছি ‘ছোটদের আদব সিরিজ’ এবং ‘ছোটদের আখলাক সিরিজ’। দুটি সিরিজের মোট বারোটি বই। যেখানে গল্পে গল্পে আদব ও আখলাকের বিভিন্ন দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ছোটদের উপযোগী করে সহজ সাবলীল ভাষায় উপস্থাপন করা হয়েছে অসংখ্য গল্প। গল্পগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের বিশুদ্ধ কিতাব থেকে। সাথে প্রতিটি পৃষ্ঠাতেই রয়েছে আকর্ষণীয় কারুকাজের রঙিন রঙিন ছবি; যা মুহূর্তেই শিশুদের মন কেড়ে নেবে।

আখলাক সিরিজটির বৈশিষ্ট্:
আখলাক সিরিজে রয়েছে ছয়টি বই।
প্রতিটি বইয়ে আছে ২৪ পৃষ্ঠা।
প্রতি পৃষ্ঠায় আছে মনকাড়া সব রঙ্গিন ছবি ও দৃশ্য। তাই শিশুরা বিরক্ত হবে না।
ছয়টি বইয়ের মোট ১৪৪ পৃষ্ঠায় পাবেন শত শত শিক্ষণীয় গল্প ও ঘটনা।
প্রতিটি গল্পই নেওয়া হয়েছে কুরআন, হাদীস ও সীরাতের বিশুদ্ধ কিতাব থেকে।
ফলে আপনার শিশু অনুপ্রাণিত হবে বিশুদ্ধ ইসলামি শিক্ষার আলোকে।
পুরো সিরিজটি সাজানো হয়েছে শিশুতোষ মন-মানসিকতার কথা মাথায় রেখে। তাই কোথাও জটিল শব্দ বা বড় বাক্য ব্যবহার করা হয়নি। সহজ সাবলীল করার চেষ্টা করা হয়েছে।
আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, যে শিশুরা নিজে থেকে এখনো বই পড়তে পারে না
মানে যাদের বয়স ছয় বছরের কম তারাও এই বইগুলো দেখতে ও শুনতে খুব পছন্দ করবে।
একটি সুন্দর গল্পই বদলে দিতে পারে আপনার শিশুর ভাবনার জগৎ।
আপনার শিশুর আদব-আখলাক যেন সুন্দর হয় সে উদ্দেশ্যেই সাজানো হয়েছে প্রতিটি পৃষ্ঠা, প্রতিটি গল্প।
- ছোটরা গল্প পড়তে পড়তেই জেনে যাবে শত শত বিশুদ্ধ হাদীস।

30% Off

উম্মাহর কিংবদন্তিরা

Tk 300 Tk 210

সেলিব্রেটি শব্দটি শুনলেই আমাদের মাঝে এক অন্যরকম মোহ কাজ করে। সেলিব্রেটি মানেই যেন বিশেষ কেউ। আজ আমরা ঝলমলে দুনিয়ার টলমলে কিছু মানুষকে সেলিব্রেটি বানিয়ে নিয়েছি, যারা কিনা বেহুদা আর অশ্লীল কাজের একনিষ্ঠ কর্মী ছাড়া কিছুই নয়। জীবনের পদে পদে আমরা তাদের অনুসরণ করি, কায়মনোবাক্যে তাদের-ই মতো হতে চাই। কিন্তু এরা কি সত্যিকারের সেলিব্রেটি?
সত্যিকারের সেলিব্রেটি তো তাঁরাই যারা যুগে যুগে ইসলামের ঝাণ্ডা বহন করেছেন, আল্লাহর কালিমাকে বুলন্দ করার জন্য নিজেদের জান ও মাল বিলিয়ে দিয়েছেন। তাঁরাই সত্যিকারের সেলিব্রেটি। তাঁরাই এই উম্মাহর কিংবদন্তি। যদি কাউকে জীবনের আদর্শ বানাতে হয়, যদি কাউকে জীবনের পদে পদে অনুসরণ করতে হয়, তবে তাঁরাই হতে পারেন আমাদের অনুপম আদর্শ।
আমরা কি কখনো তাঁদের মতো হতে চেয়েছি? কখনো কি তাঁদের সম্পর্কে একটুখানি জানার চেষ্টা করেছি? তা হলে কীভাবে আমরা তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করব?
বিভিন্ন যুগে ইতিহাস রচনা করা উম্মাহর দশ জন কিংবদন্তির জীবনের গল্প নিয়ে এসেছি আমরা। দুনিয়ার সস্তা সেলিব্রেটিদের ভিড়ে আমরা যেন সত্যিকারের সেলিব্রেটি, সত্যিকারের কিংবদন্তিদের আমাদের আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে পারি, সে লক্ষ্যেই সন্দীপন প্রকাশন নিয়ে এসেছে ‘উম্মাহর কিংবদন্তিরা’।

30% Off

তারা ঝলমল

Tk 288 Tk 202

সাহাবীরা হলেন নববী ইলমের ধারক ও বাহক। কিন্তু, তাদের জীবনী সম্পর্কে আমাদের জানাশোনা সাধারণত খুব কম। বেশিরভাগ মানুষ ১০-১২ জনের বেশি সাহাবীর নাম পর্যন্ত জানেন না, তাঁদের জীবনী জানা তো অনেক দূরের কথা!
‘তারা ঝলমল’ বইটি ৩২ জন সাহাবীর জীবনের গল্প নিয়ে। নবিজীর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাঁদের সম্পর্ক কেমন ছিলো, নিজেদের শ্রেষ্ঠ গুণটি কিভাবে তারা ইসলামের তরে কাজে লাগিয়েছেন এই নিয়েই ‘তারা ঝলমল’।

30% Off

তাকওয়া: মুমিনের সম্বল

Tk 100 Tk 70

তাকওয়া হচ্ছে মুমিনের সম্বল, আখিরাতের সফরের গুরুত্বপূর্ণ পাথেয়। যার মাঝে তাকওয়া নেই, সে ভালো-মন্দের পার্থক্য করতে পারে না। কারণ, তাকওয়ার বদৌলতেই মানুষ ফুরকান (ভালো-মন্দের পার্থক্যকারী গুণ) লাভ করে। তাকওয়া বা আল্লাহভীতিই মানুষকে মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে, আর ভালো কাজে উৎসাহী করে।
তাকওয়া মুত্তাকীদের বৈশিষ্ট্য, পাথেয় লাভের পথ। তাকওয়া মানুষকে জান্নাতের পথে পরিচালিত করে, জাহান্নামের পথ থেকে দূরে সরিয়ে রাখে। তাকওয়ার মাধ্যমেই অর্জিত হয় আল্লাহর সন্তুষ্টি।
আমাদের এই বইটি তাকওয়ার মাহাত্ম নিয়েই। এই বইতে তাকওয়া নিয়ে তিন জন পূর্বসূরী ইমামের আলোচনা সংকলন করা হয়েছে। তাকওয়ার গুরুত্ব ও মাহাত্ম নিয়ে কুরআন-সুন্নাহর বক্তব্য ও সালাফদের তাগিদ আলোচিত হয়েছে এতে। আমাদের পিপাসার্ত অন্তরে তাকওয়ার বীজ রোপণে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, ইন শা আল্লাহ।

30% Off

তাদাব্বুর ফিল হাদীস

Tk 380 Tk 266

সূর্যের আলোর অনুপস্থিতিতে আমরা বৈদ্যুতিক বাতি জ্বালাই। সূর্যের আলোর আয়োজনটুকু তাতে পাওয়া না-গেলেও আমেজটুকু তো পাওয়া যায়! এটাই বা কম কীসে!

হাদীসের সবচেয়ে মুবারক মজলিসগুলো পেয়েছিলেন সাহাবায়ে কেরাম (রদিয়াল্লাহু আনহুম)। তাঁরা হাদীসের সবক পেয়েছিলেন সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছ থেকে। উম্মাহর শেষের দিকের প্রজন্ম হওয়ায় খুব স্বাভাবিকভাবেই সোনালি সেই সুযোগগুলো থেকে বঞ্চিত হয়েছি আমরা। কিন্তু হাদীস নিয়ে তাদাব্বুর তথা গভীর চিন্তাভাবনা আমাদেরকে সেই আমেজটুকু উপহার দিতে পারে।
হাদীস তো ওহির-ই আরেকটি রূপ। কুরআন নিয়ে চিন্তাভাবনা করা যেমন জরুরি, ঠিক তেমনি প্রয়োজন হাদীস নিয়েও চিন্তাভাবনা করা। তবেই ওহির আলোয় জীবন হবে আলোকিত, মনন হবে উদ্ভাসিত।
রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মুবারক হাদীসগুলো থেকে বাছাইকৃত ৪০টি হাদীস নিয়ে টুকরো টুকরো তাদাব্বুরের সংকলন আমাদের এই ‘তাদাব্বুর ফিল হাদীস’ বইটি। এখানে যেমন রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হাদীসের নিগূঢ় তত্ত্ব আলোচিত হয়েছে, তেমনি উঠে এসেছে সেগুলোর শিক্ষা ও জীবনঘনিষ্ঠ মাসআলা। নববি হাদীসের গভীরতায় পাঠক এক নতুন আলোর সন্ধান পাবেন এ বইটি পড়ে, ইনশাআল্লাহ।

30% Off

সূরা কাহফের আলোকে মুক্তির মশাল

Tk 220 Tk 154

যুদ্ধকালীন সংকটে প্রতিটি দেশ যেভাবে তার নাগরিকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা দিয়ে থাকে, ফিতনার ঘনঘটা দেখা দিলে সূরা কাহফও মুমিনদেরকে ঠিক সেভাবেই সুরক্ষা দেয়। বাতলে দেয় ফিতনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সঠিক পথ ও পন্থা।

সূরা কাহফ ঈমানকে শক্তিশালী ও পূর্ণ করার পাশাপাশি সংরক্ষণের উপায়ও বাতলে দেয়। এই সূরাতে মানুষের মৌলিক শক্তিমত্তার তিনটি শাখা (ইলম, অর্থ-সম্পদ এবং ক্ষমতা ও রাজত্ব) তুলে ধরা হয়েছে। এটা এমন ইলম যা সৎপথে পরিচালনা করে, এমন সম্পদ যা সৎপথে চলতে সহায়ক হয় আর এমন রাজত্ব যা সৎপথের অভিযাত্রাকে নিরাপদ ও সংরক্ষিত রাখে। কারণ, দ্বীনের ওপর টিকে থাকতে এসবের কোনো বিকল্প নেই। সত্যি বলতে শুধু ব্যক্তিমানুষ না, গোটা একটি সভ্যতার সাফল্যও মূলত এই নিয়ামকগুলোর ওপর নির্ভরশীল।
মানব সভ্যতার শৌর্যবীর্য ও শক্তিমত্তার প্রধান এই তিন উপলক্ষই আবার নিদারুণ দুর্বিপাক আর পরীক্ষার ক্ষেত্র তথা ফিতনার উর্বর ভূমি। মুমিনমাত্রই পার্থিব জীবনে নানা বিপদাপদের আঘাত আর শত্রুপক্ষের বিষাক্ত দুরভিসন্ধির শিকার হয়ে থাকে। পাশাপাশি নিজের নানাবিধ দুর্বলতা, হতাশা আর অবসাদ তো রয়েছেই।
জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এঁটে বসা ফিতনার এসব বজ্র আঁটুনি থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হলো ওহির আলোকশক্তিকে আঁকড়ে ধরা। অর্থাৎ কুরআনের নূরানি শক্তিতে বলিয়ান হয়ে উঠা। আর তা রয়েছে সূরা কাহফে। এটি আপনাকে ফিতনার ঘনঘটা থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা দিতে সক্ষম। পাঠক, বক্ষ্যমাণ বইটিতে আপনি খুঁজে পাবেন সূরা কাহফের সেই মুক্তির মশাল, যার সাহায্যে মুক্তি পাবেন যাবতীয় ফিতনা থেকে।

30% Off

শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা (হার্ডকভার)

Tk 460 Tk 322

আমাদের আদি-নিবাস ছিল জান্নাত। কোনো এক কারণে আমাদেরকে দুনিয়ায় আসতে হয়েছে। এখান থেকে আমরা আবারও জান্নাতে পাড়ি জমাব ইন শা আল্লাহ। তার আগে জান্নাতে যাওয়ার পাথেয় অর্জন করে যাব এই দুনিয়া থেকেই।

দুঃখের বিষয় হলো, আমরা অনেকেই আমাদের চূড়ান্ত গন্তব্যের কথা ভুলে যাই। অল্প সময়ের জন্য অতিথি হয়ে আসা এই পৃথিবীকেই আমরা চিরস্থায়ী আবাস ভেবে ভুল করি। গন্তব্যের কথা ভুলে গিয়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যমকেই আঁকড়ে ধরি।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই আমাদের জন্যই বলে গিয়েছেন,
‘দুনিয়াতে অপরিচিত হয়ে বসবাস করো, যেন তুমি একজন মুসাফির।’

হ্যাঁ, অস্থায়ী এই দুনিয়াতে আমরা জীবনযাপন করব একজন মুসাফিরের মতো। এই সফরে আমরা জান্নাতের পাথেয় অর্জন করব। জান্নাতের পাথেয় অর্জনের এই সফরে আমাদের সঙ্গী হবে ইমাম বাইহাকি  রচিত প্রায় ১০০০ বছর পূর্বের কিতাব ‘আয-যুহদুল কাবীর’। বক্ষ্যমাণ গ্রন্থটি সেটির-ই অনুবাদ।

30% Off

সংসার ভাবনা

Tk 200 Tk 140

পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট, হ্যান্ডসাম ক্যারিয়ার, অতঃপর একটি সুন্দর সংসার—আমাদের অধিকাংশের জীবনের লক্ষ্য থাকে এরকমই। সুন্দর সংসার খুবই গুরুত্বপূর্ন একটি ফ্যাক্টর। কেননা, একটি সুন্দর সংসার আমাদের দ্বীন পালন অনেকটাই সহজ করে দেয়।
তাই, সংসার নিয়ে ভাবনার ডালপালায় ঘুরে বেড়ানো আমাদের জন্য অপ্রয়োজনীয় বা অহেতুক কিছু নয়। বরং এটি আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। বিয়ে তো আমাদের অর্ধেক দ্বীন।
‘সংসার ভাবনা’ বইয়ের আবির্ভাব সেই প্রয়োজন থেকেই। জীবনসঙ্গী কেমন হওয়া উচিত, নারীবাদের বিষাক্ত ক্যান্সার থেকে তাকে মুক্ত রাখা, পরিবার পরিকল্পনা ও সন্তান প্রতিপালন ইত্যাদি বিষয়ের উপর বাস্তবধর্মী আলোচনা ওঠে এসেছে এই বইতে। ইন শা আল্লাহ, আমাদের পারিবারিক জীবন আরও মধুময় করে তুলতে বইটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে বলেই আমাদের বিশ্বাস।

30% Off

সম্পদ গড়ার কৌশল (একজন মুসলিম উদ্যোক্তা হালাল পন্থায় যেভাবে সম্পদ গড়বেন)

Tk 300 Tk 210

আপনি কি ধনী মুসলিম হতে চান?
আপনি কি জানতে চান মুসলিম হয়েও কীভাবে প্রচুর টাকা উপার্জন করা যায়?
কীভাবে এ প্রতিযোগিতায় অন্যদের টেক্কা দেয়া যায়?
ভাবছেন, এতো টাকা দিয়ে করবটা কী?
সফল মুসলিম উদ্যোক্তা হতে কী কী দক্ষতা প্রয়োজন?
ওপরের প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়েই ‘সম্পদ গড়ার কৌশল’ বইটি। বইটিতে আরও স্থান পেয়েছে বর্তমান সময়ের বেশ ক’জন সফল মুসলিম উদ্যোক্তাদের নাম ও কর্মগাঁথা, যা জেনে আপনিও উদ্যোক্তা হওয়ার অনুপ্রেরণা পাবেন। জানতে পারবেন সম্পদ গড়ার চমৎকার সব কৌশল। আরও জানতে পারবেন সম্পদ গড়ার এ পথে আপনাকে কী কী চ্যালেঞ্জ মুকাবিলা করতে হবে।
প্রিয় পাঠক, আপনি কি সাদ ইবনু আবী ওয়াক্কাস আর উসমান ইবনু আফফান রদিয়াল্লাহু আনহুমদের মতো ধনবান মুসলিম ব্যবসায়ী হতে চান? তাহলে সম্পদ গড়ার কৌশল পাঠে আপনাকে স্বাগতম!

30% Off

সত্যকথন ২

Tk 270 Tk 189

একসময় মুশরিকরা idol (মূর্তি) পূজা করত। এখনকার মুশরিকরা ideology (মতাদর্শ) পূজা করে। পশ্চিমারা আজ বিভিন্ন বস্তুবাদী মতবাদকে সেরা ধরে নিয়ে ইসলামকে আক্রমণ করে। ইসলাম কেন তাদের মনমতো হলো না—এসব জানতে চায়। এটা ওই মক্কা আর গ্রীসের মুশরিকদের পুরোনো কলাকৌশলের-ই নতুন রূপ। ওই একই পদ্ধতিতেই এর মোকাবিলা করতে হবে।
কিন্তু অমুসলিমরা একটার পর একটা আক্রমণাত্মক প্রশ্ন করেই যাবে, আর মুসলিমরা সেগুলোর রক্ষণাত্মক জবাব দিয়েই যাবে—এটা দাওয়াহর আদর্শ পদ্ধতি নয়। যাদের অন্তরে রোগ আছে, তারা একের-পর-এক প্রশ্ন আনতেই থাকবে। এগুলোর প্রত্যুত্তরে বই লিখতে থাকলে বইয়ের লাইব্রেরি হয়ে যাবে, কিন্তু বিদ্বেষীদের প্রশ্ন তখনও শেষ হবে না।
তা ছাড়া ইসলামের কিছু বিধান এমন আছে, যেগুলো অমুসলিম তো দূরের কথা, মুসলিমদের কুপ্রবৃত্তিই মানতে চাইবে না। এমনকি কিছু হুকুমের ব্যাপারে আল্লাহ তো জানিয়েই দিয়েছেন যে, এগুলো আমাদের অপছন্দ হবে। কিন্তু কুপ্রবৃত্তির বিরুদ্ধে গিয়ে সেগুলো পালন করতে হবে। ‘আজকে এগুলো অমুসলিমদেরকে পছন্দ করিয়েই ছাড়ব’—এমন মনোভাব নিয়ে যদি কেউ নাস্তিকদের সাথে তর্ক শুরু করে, তাহলে প্রবল সম্ভাবনা আছে যে, তার্কিক সাহেব আল্লাহর দ্বীনকেই বিকৃত করে ছাড়বেন। আবার কিছু বিধান আছে যেগুলো বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখানো ছাড়া কখনোই সেগুলোর সুফল বোঝা যাবে না। যেমন—ইসলামি অর্থনীতি বা বিচারনীতি বাস্তবে প্রয়োগ না করে শুধু এর পক্ষে বইয়ের পর বই লিখে যাওয়াটা পূর্ণাঙ্গ সমাধান না।
‘সত্যকথন ২’ বইটিতে নাস্তিক-অজ্ঞেয়বাদী-সেক্যুলার কর্তৃক সৃষ্ট সংশয়ের প্রত্যুত্তর দিয়েই ক্ষান্ত হননি লেখকেরা, সেগুলোর ব্যবচ্ছেদও করেছেন। সংশয়ের দোলাচলে দোল খাওয়া মুসলিমদের সংশয় নিরসনে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ইন শা আল্লাহ।

30% Off

স্বপ্ন-রঙিন দিন

Tk 320 Tk 224

কিশোর বয়স বড় অদ্ভুত একটা সময়। এ বয়সে শরীর-মন সবই থাকে উচ্ছ্বল-প্রাণবন্ত। প্রাণপ্রাচুর্যে ভরা এ বয়সটাকে তাই পরবর্তী জীবনে স্বপ্নের মতোই লাগে।
পা পিছলে যাবার শুরুটাও হয় এ বয়সেই। অনাবিল মন-মস্তিষ্ক আবিলতায় ছেয়ে যায় উপযুক্ত সাহচর্য না পেলে। ক্লান্তিহীন প্রাণ ক্লেদাক্ত হয়ে পড়ে অসৎসঙ্গে—আর তাতেই ঘটে সর্বনাশ!
এ সর্বনাশের নাগপাশ এড়াতে চাইলে উচ্ছ্বল এ বয়সেই দ্বীনি চিন্তা-চেতনার চর্চা প্রয়োজন। আর চর্চার জন্যে চাই অনুসন্ধিৎসু মন। ‘স্বপ্ন-রঙিন দিন’ উপন্যাসটির প্লট সাজানো হয়েছে সেরকমই কিছু জিজ্ঞাসু কিশোর চরিত্রকে ঘিরে। কেন্দ্রীয় চরিত্র মাহমুদ কীভাবে তার ভাইয়ার কাছ থেকে দ্বীন ও দ্বীনি চেতনা সম্পর্কে দীক্ষা পায়, তা-ই আমরা দেখব সুলিখিত এই উপন্যাসের মাধ্যমে।
কিশোর ও তরুণ বয়েসী পাঠকেরাও এতে পাবে অনেক জানা-বোঝার খোরাক।

30% Off

শেষের অশ্রু

Tk 160 Tk 112

দুনিয়ার সব নারী থেকে একজন পুরুষ বেঁচে থাকতে পারে। কিন্তু এমন একজন থাকতে পারে যে খুব গোপনে তার মনে জায়গা করে নিতে পারে।”- শাইখ জাওয়াদ কথাটা একদম বেদ্বীনি কারও বেলায় যেমন সত্য, তেমন সত্য দ্বীন মানতে চাওয়া অনেক ছেলের ক্ষেত্রেও। তাদের সালাত, সিয়াম, কিয়াম-এর ফাঁক গলে হুট করে এক নারী প্রবেশ করে ফেলে তার অন্তরে। সফেদ অন্তরে ফেলে দেয় গুনাহের দাগ। ‘শেষের অশ্রু’- তেমন এক ইবাদতপ্রেমী যুবক ইয়াসারকে নিয়ে সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা একটি গল্প। যে ইয়াসারের চোখে আখিরাত ছাড়া কিছুই ছিল না, সেই ইয়াসারকে গ্রাস করেছিল ডাগর কালো দুটি চোখ। মসজিদে অন্তর লেপ্টে থাকা যুবকটির অন্তর লেপ্টে গিয়েছিল এক রুটির দোকানের শেষের বাড়িটায়। সারশীর নামক রূপসীর সৌন্দর্যের মাধ্যমে শয়তান বশ করে ফেলেছিল ওকে। শয়তানের আঁটা প্রেমের ফাঁদে আটকে গিয়েছিল দুনিয়াবিমুখ ইয়াসারের মন। এক সময়কার ইবাদাতগুজার ইয়াসার হারিয়ে যাচ্ছিল অন্ধকার পথে। সেখান থেকে কীভাবে সে ফিরে এল, কীভাবে তাওবার পথে পা বাড়াল—তা নিয়েই আমাদের এ বই।

30% Off

রাসূলে আরাবি সা. (হার্ডকভার)

Tk 500 Tk 350

নবিজি ﷺ-এর জীবনী অত্যন্ত মহান ও মর্যাদাপূর্ণ একটি বিষয়। নবি ও রাসূল হিসেবে মুহাম্মাদ ﷺ-এর আগমন এবং ইসলামের উত্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায় তাঁর সীরাত থেকে। অসহনীয় কষ্টের পর আল্লাহ কীভাবে সাফল্য দেন, তা উপলব্ধি করা যায় নবি ও সাহাবিদের জীবনী থেকে।
অন্য যে কারও জীবনীর চেয়ে নবিজীবন অধ্যয়নে শিক্ষা লাভ করা যায় অনেক অনেক বেশি। আল্লাহ তাআলা কীভাবে তাঁর নবিকে প্রস্তুত করলেন, মানুষের অন্তরে কীভাবে প্রোথিত করলেন তাঁর কিতাবের শিক্ষা, অনেক শক্তিশালী ও বিশাল বিশাল শত্রুদলের বিরুদ্ধে ছোট্ট একটি দলকে কেমন করে বিজয় দান করলেন, চারদিকে মিথ্যে আর পাপ-পঙ্কিলতার সয়লাবের মাঝে ইসলামের সত্য ও সৌন্দর্যকে কীভাবে সমুন্নত করলেন—এসবের মাঝে নিহিত রয়েছে বহু প্রজ্ঞা।
নবি ﷺ-এর জীবনী পড়ে মুসলিমরা তাদের দ্বীনকে গভীরভাবে বুঝতে শেখে। তাই নবিজির জীবদ্দশা থেকে নিয়ে এখন পর্যন্ত আলিমগণ নবিজীবন-সংক্রান্ত তথ্যের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে খুবই সাবধানী। কিন্তু অনেকেই নবিজীবন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে এতে মনগড়া, অবান্তর আলোচনা প্রবেশ করিয়েছে। ফলে দিনশেষে দেখা যায়, ইসলামের নবির জীবনীতে অনেক তথ্য স্বয়ং ইসলামের শিক্ষারই বিপরীত।
‘রাসূলে আরাবী’ বইটি বিশুদ্ধ উৎসের ভিত্তিতে লেখা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনী। এই বইটি লিখতে লেখক সাহায্য নিয়েছেন কুরআন, বিশুদ্ধ তাফসীর, বিশুদ্ধ হাদীস এবং অন্যান্য বিশুদ্ধ সীরাহ-গ্রন্থের মতো বিশুদ্ধ উৎসের।

30% Off

কুরআনের সৌন্দর্য

Tk 230 Tk 161

কুরআন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ। এর সৌন্দর্য এতটাই অনুপম যে, তার অনুরূপ কোনো গ্রন্থ আজ অবধি কেউ রচনা করতে পারেনি, অনাগত দিনেও পারবে না। কিন্তু কেন? এই প্রশ্নের উত্তর আরবি না-জানা বা আরবি জানলেও কুরআনের ভাষা-অলঙ্কার সম্পর্কে গভীরভাবে অধ্যয়ন না করা একজন বংলাভাষী পাঠকের কাছে আজীবন অধরাই থেকে যায়। তিনি সারাজীবন শুধু শুনেই যান যে, কুরআন আল্লাহর নবির শ্রেষ্ঠ মুজিযা। এটি তাঁর নুবুওয়াতের সত্যতার প্রমাণ। কিন্তু তা কীভাবে—এটি তার বোধগম্য হয় না।
এই বইতে কুরআনের সৌন্দর্যের খণ্ড খণ্ড চিত্তাকর্ষক চিত্রগুলোকে সরলভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি বইটি একজন বাংলাভাষী পাঠকের কাছে কুরআনকে আরও জীবন্ত, জীবনঘনিষ্ঠ ও মাধুর্যময় করে তুলতে সহায়তা করবে ইনশাআল্লাহ।

30% Off

কুরআন: জীবনের গাইডলাইন

Tk 167 Tk 117

কুরআন সাধারণ কোনো গ্রন্থ নয়। এটি একটি জীবন্ত জীবন-বিধান। কুরআন মুমিনদের জন্য শিফা ও রাহমাহ। মুমিনের অন্তরের ব্যাধি থেকে শুরু করে জাগতিক সকল সমস্যার সমাধান দেয় কুরআন। তবে কুরআনি সমাধান পেতে হলে কুরআনকে ভালোভাবে বুঝতে হবে। কুরআন নিয়ে তাদাব্বুর করতে হবে। ডুব দিতে হবে কুরআনের গভীর থেকে গভীরে।
কুরআনের অর্থ অনুধাবন হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও অনুরাগ সৃষ্টি করে। কুরআন বোঝার মধ্য দিয়েই তৈরি হয় আত্মার পরিশুদ্ধি, হৃদয়ের পরিতৃপ্তি আর তাকদীরের ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্টি। কুরআন বোঝার মধ্য দিয়েই অর্জিত হয় ইয়াক্বীন ও সুদৃঢ় বিশ্বাস, অর্জিত হয় আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক ও দ্বীনি আত্মমর্যাদাবোধ, সৃষ্টি হয় আখিরাতের ফিকির এবং আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ প্রতিদান লাভের সজীব প্রত্যাশা।
‘কুরআন: জীবনের গাইডলাইন’ বইটিতে ড. ইয়াদ কুনাইবীর অনেকগুলো হৃদয়কাড়া আলোচনা স্থান পেয়েছে। এ বইটিতে রয়েছে মানুষের আত্মিক পরিশুদ্ধির বহুবিধ উপকরণ। সাহাবায়ে কেরাম রদিয়াল্লাহু আনহুম আল্লাহ-প্রেমের অমৃত-সুধা পান করে তাঁর শর্তহীন আনুগত্য ও কুরআনময় জীবন গঠনের যে উপমা পেশ করেছেন, তা অত্যন্ত প্রাঞ্জল ভাষায় ফুটে উঠেছে বইটিতে। পাশাপাশি মানবজীবনের বহুমুখী জাগতিক ও আত্মিক সমস্যার সমাধান রয়েছে পুরো বইটির পাতায় পাতায়।

30% Off

কুরআন বোঝার মজা

Tk 265 Tk 185

কুরআন আমাদের প্রতি আল্লাহর নাযিলকৃত প্রত্যাদেশ। এতে আমাদের জন্য রয়েছে হিদায়াত ও পথনির্দেশ। কুরআন নাযিলের অন্যতম উদ্দেশ্যই হলো বান্দা এর আয়াতগুলো নিয়ে ভাবনার সমুদ্রে ডুব দিবে। চিন্তার তলদেশ থেকে মনি-মুক্তো কুড়িয়ে আনবে। যারা নিজেদেরকে কুরআন তিলাওয়াতের মধ্যেই সীমাবদ্ধ করে রাখে, কুরআনের আদেশ-নিষেধ-উপদেশ নিয়ে ভাবে না, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে তিরষ্কার করেছেন। কেউ যদি কুরআন নিয়ে চিন্তা-ভাবনা না করে তবে বুঝতে হবে তার অন্তর তালাবদ্ধ হয়ে আছে। তার উচিত অবিলম্বে এই তালা খোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা এবং আল্লাহর এই তিরষ্কারে পতিত হওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা। কুরআন নিয়ে আমরা কিভাবে ভাববো, এই ভাবনা থেকে আমরা কী ধরনের স্বাদ আস্বাদন করতে পারব সেই বিষয়গুলোই তুলে ধরা হয়েছে ‘কুরআন বোঝার মজা’ বইটিতে। কুরআন কেন্দ্রিক বিভিন্ন ধরনের অনেকগুলো লেখার সমষ্টি এই বইটি, যা পাঠকের সামনে কুরআনের সৌন্দর্য ও শক্তি চমৎকারভাবে তুলে ধরবে ইনশাআল্লাহ।

কুরআনুল কারীম (শুধু আরবি)

Tk 500

এই কুরআনের বৈশিষ্ট্য:
১. বড় হরফে ছাপা
২. সৌদি ফন্টে ছাপা
৩. সাইজে বড় (৯.৫*৬.৮)
৪. আকর্ষণীয় ছাপা ও বাঁধাই
৫. সংরক্ষণের জন্য সুইডিশ বোর্ডের একটি বক্স আছে
৬. পুরোটাই মেলে যাবে যার কারণে হাত দিয়ে ধরে পড়া লাগবে না

30% Off

কলবুন সালীম (নির্মল অন্তর, নির্মল জীবন) (পেপারব্যাক)

Tk 260 Tk 182

পাঠক জনপ্রিয়তা অর্জন করা ‘হারিয়ে যাওয়া মুক্তো‘র পর উস্তাদ আলি হাম্মুদার লেকচার অবলম্বনে দ্বিতীয় বই ‘কলবুন সালীম: নির্মল অন্তর, নির্মল জীবন’। এবারের বইটি ভিন্ন ধাঁচের। এতে স্থান পেয়েছে ঈমান জাগানিয়া একাধিক গল্প, সংশয় থেকে বেঁচে থাকার উপায়, দুআ কবুলের কৌশল, এছাড়া আত্মশুদ্ধি এবং আমলের উদ্দীপনা নিয়ে উস্তাদ আলি হাম্মুদার অসংখ্য উপদেশবাণী।
উস্তাদকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার প্রয়োজন নেই। যুবকদের নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে চলা ফিলিস্তিনি এই আলিম সকলের পরিচিত মুখ। উস্তাদের লেকচারগুলোর মতই এই গ্রন্থের প্রতি পরতে পরতে পাঠক আবিষ্কার করবেন পূর্বসূরিদের রেখে যাওয়া অমিয় আদর্শ। কখনও গল্পের ভাষায়, কখনও নসিহতের ভাষায় এখানে নির্মল জীবন গড়ার পাথেয় তুলেছেন ধরেছেন তিনি। তাই কুরআনে আসা ইবরাহীম (আ.)-এর বিখ্যাত দুয়ার অবলম্বনে সংকলক বইটির নামকরণ করেছেন ‘কলবুন সালীম’, অর্থাৎ বিশুদ্ধ অন্তর। একটি শুদ্ধ জীবন গড়ার প্রত্যয় নিয়ে রচিত এই গ্রন্থটি সকলের জন্য হতে পারে একটি চমৎকার উপজীব্য।

30% Off

অসংগতি (পেপারব্যাক)

Tk 225 Tk 157

বয়ে চলা নদীর মতো জীবনও চলতে থাকে আপন গতিতে। নায়ের মাঝি যেমন ঢেউয়ের তালে তালে বৈঠা বেয়ে সামনে এগিয়ে যায়, জীবন নায়ে চড়ে আমিও সেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন। এই চলতি পথে হর-হামেশা দেখা হয়ে যায় অনেক দৃশ্যের সাথে। যার মাঝে কোনটাতে থাকে সংগতি আর কোনটাতে অসংগতি। যেগুলিতে অসংগতির দেখা পেয়েছি সেগুলোকে সযত্নে তুলে নিয়েছি। তারপর তা দিয়ে মালা গেঁথে উপস্থাপন করেছি পাঠকের সমীপে।
ভিন্ন ভিন্ন পঁচিশটি লেখা দিয়ে সাজানো হয়েছে এই বইটি। একেকটা একেক রঙের, একেকটা একেক বর্ণের। তবে সবগুলোই কোন না কোন অসংগতির সাথে প্রাসঙ্গিকতার সূত্রে আবদ্ধ।

30% Off

অন্ধকার থেকে আলোতে -৩

Tk 267 Tk 187

উত্তাল সমুদ্র। দিগন্ত দেখা যাচ্ছে না। এর মাঝে এগিয়ে চলা জাহাজ কি পারে লক্ষ্য ছেড়ে অজানার দিকে এগোতে? না। বহু দিকে বহু স্রোত বয়ে যেতে পারে। বাতাসের গতি পক্ষে না-ও থাকতে পারে। কিন্তু জাহাজকে এগিয়ে যেতে হয় বাতিঘরের দিকে। পৌঁছাতে হয় গন্তব্যে। নাহলে যে যাত্রীদের সমাধি হবে অথৈ সাগরে।
অবিশ্বাস আর সংশয়ের নানা চোরাস্রোত লক্ষ্যভ্রষ্ট করতে চায় বিশ্বাসের তরীকে। ডুবিয়ে দিতে চায় গন্তব্যের বহু আগেই। দক্ষ নাবিক কিছুতেই দিকহারা হয় না। বিরুদ্ধ স্রোত আর সকল ঝোড়ো হাওয়াকে মোকাবিলা করে অবিচলভাবে এগোতে থাকে গন্তব্যের দিকে। যে গন্তব্যে আছে চিরমুক্তি। কালো মেঘ কেটে এক সময় সূর্য উঁকি দেয়। সব অন্ধকারকে পেছনে ফেলে যাত্রীরা এগোয় আলোকিত সে পথের দিকে।
সত্য সন্ধানীদের বিশ্বাসের পালে হাওয়া দিতেই এই বইটি।

30% Off

অন্ধকার থেকে আলোতে-২

Tk 250 Tk 175

অন্ধকার গুহা। মুখ খোলা, কিন্তু আলো আসছে না। আকাশে যে রোদ নেই! অবশেষে সূর্য উদিত হল। রোদের প্রথম সে পরশ ছড়িয়ে গেল প্রান্তরে, পাহাড়ে, দ্বীপান্তরে। সে আলো চুইঁয়ে ঢুকলো আঁধার গুহাতেও।
আলো? সে এক আহ্বানের আলো।
কেমন করে এলো সে আলো?
নগরীর পাহাড় থেকে অনেক কাল আগে এক যুবক এলাকাবাসীকে ডেকেছিলেন। যিনি পরিচিত ছিলেন সত্যবাদী ও বিশ্বস্ত নামে। দস্যুরা আক্রমণ করেছে ভেবে সবাই পড়িমরি করে পাহাড়ের দিকে ছুটে গিয়েছিল সে ডাকে। কিন্তু না! তিনি দুনিয়ার বিপদের কথা জানাতে তাদের ডাকেননি। ডেকেছিলেন পরকালের ভয়াবহ বিপদের কথা জানাতে। কেউ শোনেনি। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় একসময় সে যুবকের দেখানো পথে বহু মানুষ আলোর দিশা পেয়েছিল।
আজ বহু বছর পর কিছু দস্যু সেই আলোর মশালকে নিভিয়ে দিতে পঙ্গপালের মত আক্রমণ করেছে। ওদের লক্ষ্য, একজন মুমিনের জীবনে সবচে’ দামী সম্পদ ঈমানকে ছিনিয়ে নেয়া। মুসলিমদের জীবনটাকে উদ্দেশ্যহীন বানিয়ে ফেলা। অন্ধকার জগতের সেই ডাকুদের বিরুদ্ধে এ বই ক্ষুদ্র এক প্রচেষ্টামাত্র। যেন ঈমানদারেরা তাদের হীনমন্যতা ঝেড়ে ফেলে উজ্জীবিত হয়ে ওঠে।
আর গুহার অধিবাসীরা ফিরে আসে অন্ধকার থেকে আলোতে।

30% Off

অন্ধকার থেকে আলোতে

Tk 275 Tk 193

বাংলাদেশে অনলাইনে ইসলামবিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে বহু আগে থেকে। সে তুলনায় নাস্তিক-ইসলামবিদ্বেষীদের জবাব দেয়ার ধারাটা নতুন। যদিও আরো আগে থেকেই এর শুরু, কিন্তু এতে জোয়ার এসেছে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে। বিশেষ করে গত বছর এ নিয়ে বেশ কিছু বই প্রকাশিত হয়েছে, জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আরো অনেক লেখক ও প্রকাশক এ ব্যাপারে বই প্রকাশে এগিয়ে এসেছেন। বেশ অনেকগুলো বই অল্প কয়েকদিনের মধ্যে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এটা ভালো খবর, নিঃসন্দেহে।
সত্যকথন থেকে আমাদের একটা ইচ্ছা, (কিংবা স্বপ্ন বলা যায়) হল – নাস্তিক-ইসলামবিদ্বেষীদের আদর্শ ও বিশ্বাসের সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা একেবারে নষ্ট করে দেয়া। এমন কিছু করার জন্য অবশ্যই অনেক মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহন প্রয়োজন।
তবে একই সাথে কিছু চিন্তার জায়গাও থেকে যায়। এ চিন্তার কথা আমরা অনেক বার ব্যক্ত করেছি। নাস্তিক-ইসলামবিদ্বেষিদের জবাব দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক সময়ই যুক্তি, বিজ্ঞান কিংবা প্রচলিত পশ্চিমা স্ট্যান্ডার্ডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা দেখা যায়। “দেখুন বিজ্ঞানই প্রমাণ করে ইসলাম ঠিক”, “ইসলাম মানবিক”, “ইসলাম যৌক্তিক”। এসব স্ট্যান্ডার্ডে আমরা ইসলামে সঠিক প্রমাণ করতে চাই। সমস্যা হল
এ মাপকাঠিগুলো পশ্চিমের বানানো। এর চেয়ে উত্তম, সর্বোত্তম মাপকাঠি মুসলিমদের কাছে আছে। ইসলাম। ইসলামি শারীয়াহ এগুলোর চেয়ে অনেক সুপিরিওর। ইসলাম ইনফেরিওর কিছু না যে, পশ্চিমের মাপকাঠিতে আমাদের ইসলামে সঠিক প্রমাণ করতে হবে। আর পশ্চিমা মানবরচিত ত্রুটিপূর্ণ কাঠামোতে ইসলামের অনেক কিছুই খাপ খাবে না। এটাই স্বাভাবিক। এটা ঐ কাঠামোর সমস্যা।
সিংহকে আপনি ইঁদুরের গর্তে ঢোকাতেও পারবেন না। তবুও নানা কারণে ইসলামের পক্ষের লেখাগুলোতে এ বিষয়গুলো, এবং পরিমিত পরিমাণে আসতেও পারে। সমস্যা বাঁধে যখন লেখক কিংবা তার্কিকরা কুর’আন-সুন্নাহ ও সালাফ-আস-সালেহিনের বক্তব্যের চেয়ে পশ্চিমা কাঠামো অনুযায়ী “কেন ইসলাম সঠিক” – এটা প্রমানে বেশি জোড় দিয়ে ফেলেন। আমাদের আশঙ্কার জায়গা হল ইতিমধ্যে অনেক লেখার ক্ষেত্রেই নানা কারণে এধরণের প্রবণতা খুব বেশি করে চোখে পড়ছে।
এমন ক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখা উচিত মুসলিম হিসেবে আমাদের মূল ফ্রেইম অফ রেফারেন্স কী। আমাদের মূল উদ্দেশ্য কী, আমাদের অনুসরনীয় পদ্ধতি কী। আর প্রশ্নগুলোর উত্তর হল কুরআন-সুন্নাহ, ইসলামের সত্যকে প্রকাশ করা, এবং সালাফ-আস সালেহিনের অনুসরণীয় পদ্ধতি। কে কী বললো, তার বদলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ কী বলেছেন – সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কে কীভাবে ব্যাখ্যা করেছে, বা কতো ভিন্ন ভাবে কোন কিছুকে ব্যাখ্যা করা যায়, তার বদলে আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হল সাহাবা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম কীভাবে ঐ জিনিসটিকে বুঝেছেন, কীভাবে আমল করেছেন।
দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমানে অনেক লেখা হলেও খুব কম লেখাতেই এ বিষয়গুলোকে মূল ফোকাসে রাখা হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়গুলোর চেয়ে, সুখপাঠ্য হওয়া, বিনোদনমূলক হওয়া, বিজ্ঞানসম্মত হওয়া, পশ্চিমা মাপকাঠিতে উত্তীর্ন হওয়া – ইত্যাদি নানা তুলনামূলকভাবে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনযোগ বেশি পাচ্ছে।
এক্ষেত্রে একটি উজ্জ্বল ব্যতিক্রম হল সত্যকথনের নিয়মিত লেখক, মুহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান মিনারের লেখা। ইসলাম সংক্রান্ত যেকোন বিষয়ে কথা বলার ক্ষেত্রে, আলোচনার ক্ষেত্রে, তর্কের ক্ষেত্রে, ডিফেন্ড করার ক্ষেত্রে – আমাদের প্রাথমিক অ্যাপ্রোচ কেমন হওয়া উচিত, তার উত্তম উদাহরণ মুহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান মিনারের লেখাগুলো। তাঁর লেখাতে সালাফ আস-সালেহিন এবং হক্বপন্থি উলামার অনুসৃত পদ্ধতির ছাপ পাঠক দেখতে পাবেন। এবং এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দীর্ঘদিন ধরেই মুহাম্মাদ মুশফিকুর রহমান মিনার ইসলামবিদ্বেষীদের প্রশ্নের জবাব নিয়ে লেখালেখি। ইন শা আল্লাহ এবারের একুশে বই মেলাতে বের হচ্ছে তাঁর প্রথম বই, অন্ধকার থেকে আলোতে। আলহামদুলিল্লাহ।
সত্যকথনের পাঠকদের আমরা বিশেষ ভাবে বলবো, ‘অন্ধকার থেকে আলোতে’ বইটি সংগ্রহ করার। নাস্তিকতা সংক্রান্ত বের হওয়া সাম্প্রতিক সব গুলো বইয়ের মধ্যে যদি একটি বই-ই আপনারা কেনার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে আমরা জোরালোভাবে এ বইটি রেকমেন্ড করবো।

30% Off

অলসতা: জীবনের শত্রু

Tk 225 Tk 157

অলসতা এমন এক কঠিন রোগ, যা কারও ওপর চেপে বসলে, তার ইহকাল-পরকাল সাঙ্গ করে দেয়। শুধু তাই নয়, একসময় অলস ব্যক্তি তার স্বাভাবিক মানবতাবোধও হারাতে থাকে। তার মেধা শক্তি দুর্বল হয়ে পড়ে এবং বিলুপ্ত হতে থাকে তার মানবিক বৈশিষ্ট্য।
অলসতা কোনও মন্ত্রী-মিনিস্টার চেনেনা। বৃদ্ধ, যুবক, পুরুষ, নারী, দ্বীনদার, দুনিয়াদার—সকলেই অলসতার আক্রমণের শিকার হতে পারে। তাই এব্যাপারে সবার সমান সচেতন হওয়া চাই। আপাতদৃষ্টিতে ব্যক্তি যতই পরিশ্রমী হোক, সচেতনতার প্রশ্নে সে-ও আলাদা কেউ নয়। ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহিমাহুল্লাহ) বড় যথার্থ বলেছেন,
‘লক্ষ্য অর্জনে প্রতিটি পরিশ্রমী ব্যক্তিকেই আলস্যও বিরতির মুখোমুখি হতে হয়।’ [মাদারিজুস সালিকিন, ১/২৭৮]
বইটি পড়ে আমল করার মাধ্যমে পাঠক তার অলসতাও দুর্বলতা অনেকাংশেই কমিয়ে আনতে পারবে। এরপরও যদি আলস্য চলেই আসে, তবে তার সাথে কেমন হবে আপনার আচরণ, কীভাবে তাকে প্রথম সুযোগেই ঘরের দুয়ার থেকে তাড়ানো যায়—সে সম্পর্কেও বইটিতে আলোকপাত করা হয়েছ।

30% Off

অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়

Tk 500 Tk 350

ইসলামপন্থী তরুণ লেখকদের বইপত্রের শুরুতে ‘সম্পাদকের কথা’ টাইপ শিরোনামে ভারী ভারী কথা লেখার প্রচলন। আমি নিজেও বিভিন্নসময় এ কাজ করেছি। তবে এই বই নিয়ে অলরেডি অনেক ভারী কথা হয়ে গেছে; আমি হালকা মেজাজে দুয়েকটা কথা বলতে চাচ্ছি। … আস্তিকতা-নাস্তিকতা বিষয়ক লেখালেখি ইসলামপন্থীদের থেকে বছর দশেক আগে ব্লগের যুগ থেকেই চলে আসছে। ব্লগগুলোতে যখন ধর্মবিদ্বেষীদের আধিপত্য, তখন কিছু মুখলিস ভাই সময়ের দাবি মেটাতে কলম তুলে নিলেন। …
ব্লগের যুগ পেরিয়ে আমরা ঢুকলাম ফেসবুক যুগে, এরপর এলো বইয়ের যুগ। নাস্তিকদের জবাব দিয়ে লেখাগুলো কাগজের পাতায় উঠে এলো, মলাটবদ্ধ অবস্থায় ঘরে ঘরে পৌঁছে গেল। দেখা যায় এই বইগুলোর সিংহভাগেই নাস্তিকদের জবাব দেওয়াটাকেই ফোকাস করা হয়। এই ধারাটার অবশ্যই দরকার আছে, তবু মনে হতো যদি এমন একটা বই লেখা হতো যেখানে তাদের প্রশ্ন ধরে ধরে জবাব না দিয়ে বরং তারা যে ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে এসব আপত্তি তোলে, সেই ভিত্তিটাকেই নাড়িয়ে দেওয়া যাবে! … সেই আশার পালে হাওয়া দিলেন রাফান আহমেদ ভাই। তিনি লিখলেন ‘বিশ্বাসের যৌক্তিকতা’, খুব ছোট্ট কিন্তু ওজনদার এ বইটা হচ্ছে ট্রেইলার। ট্রেইলারের কুঁড়িটা পুষ্প হয়ে ফুটল ‘অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়’– এ।
‘অবিশ্বাসী কাঠগড়ায়’– এর পাণ্ডুলিপি পড়তে গিয়ে দুটো কারণে বিস্মিত হই। প্রথমটা হলো মুগ্ধতাজনিত বিস্ময়। পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল–আরে এটা তো সেই ধারার বই যার জন্য অ্যাদ্দিন ধরে অপেক্ষা করেছি! আর দ্বিতীয় কারণ হলেন লেখক নিজে। রাফান ভাই পেশায় চিকিৎসক। উদয়াস্ত খাটছেন রোগীদের পেছনে, রাতের পর রাত জাগছেন, এতটুকু ফুরসৎ নেই। ওনার সাথে যখন পাণ্ডুলিপি নিয়ে আলোচনায় বসেছি তখনও একটু পরপর ফোন আসছে হাসপাতাল থেকে। এমন আদ্যন্ত ব্যস্ত একজন মানুষ এত তথ্যবহুল আর গভীর আলোচনার পৌনে তিনশো পৃষ্ঠার প্রমাণ সাইজের একটা বই লিখে ফেলেছেন, বিশ্বাস করা কঠিন। আসলে আল্লাহ্‌ যাকে দিয়ে চান তাকে দিয়ে করান।
বইটাকে ‘ব্যতিক্রমী’ বলছি এজন্যই যে, এটা টিপিক্যাল ‘নাস্তিকদের আপত্তির জবাব’ টাইপ লেখা না। এখানে লেখক হুমায়ূন আজাদদের মনস্তত্ত্ব, তাদের আদর্শের স্ববিরোধিতা এবং তারা অবিশ্বাসের মোড়কে যে সংকীর্ণ বিশ্বাসগুলো লালন করে সেগুলোকে দর্শন ও বস্তুবাদী বিজ্ঞানের আলোকে উন্মোচন করেছেন। বইটার গুরুত্ব আরো বেড়েছে একারণে যে লেখক মুসলিম স্কলারদের থেকে খুব বেশি সাহায্য না নিয়ে বরং হুমায়ূন আজাদরা যে পশ্চিমা দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিকদের বক্তব্যকে প্রবাদতুল্যজ্ঞান করে, সেই দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিকদের বক্তব্য দিয়েই আজাদদের চিন্তার দৈন্যকে স্পষ্ট করেছেন।
বইয়ের প্রতিটি অধ্যায়ের টপিকগুলো এত ব্যাপক যে, এর প্রতিটি নিয়েই একেকটি বই হওয়া সম্ভব। এগুলোকে একই বইয়ে স্থান দিতে গিয়ে অনেকস্থানে লেখক আরো বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন নি। আমরা আশা করবো তিনি এবং এই পথের অন্য পথিকরা সে বিষয়গুলো নিয়ে আরো বৃহৎ কলেবরে, আরো বিশ্লেষণাত্মক আলোচনাসমৃদ্ধ লেখা আমাদের উপহার দেবেন।

30% Off

নাসীহাহ (পেপারব্যাক)

Tk 295 Tk 207

উপদেশ!
এক অতি সহজলভ্য বিষয়ের নাম। কিন্তু সহজলভ্য হলেই তো আর উপকারী হয়ে যায় না! উপকারী হতে হলে, তাতে থাকতে হয় উপকারিতার গুণ। আর উপদেশ বা নাসীহাহ তো তখনই উপকারী হয়, যখন তাতে থাকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পাথেয়। এমন নাসীহাহ মুমিন বান্দাকে নাড়া দেয়, তার ঘুমন্ত সত্তাকে জাগিয়ে তুলে।
অভিশপ্ত দুনিয়ার উত্তাপে টগবগ করে ফুটতে থাকা আত্মাকে শান্ত করতে নাসীহাহ’র চেয়ে উত্তম কিছু কি আছে?
হৃদয়-প্রশান্তকারী সেরকম-ই একগুচ্ছ নাসীহাহ’র মলাটবদ্ধ রূপ আপনার হাতের এ বইখানা। এতে স্থান পেয়েছে, কুরআন-সুন্নাহ ও সীরাতের পাতা থেকে তুলে আনা বিষয়ভিত্তিক প্রেরণাময় কথামালা। এ ছাড়াও রয়েছে সালাফের জীবনী থেকে কুড়িয়ে আনা মুক্তোতুল্য অসংখ্য নাসীহাহ।
দ্বীনে ফিরেছেন কিংবা এখনো ফেরেননি—এমন যে কারও জন্যেই ‘নাসীহাহ’ হতে পারে হৃদয়ের খোরাক! আর বিশ্বাসী বান্দা কি নাসীহাহ থেকে বিমুখ হতে পারে?

30% Off

নারী সাহাবিদের জীবনকথা

Tk 192 Tk 134

মুসলিম নারীদের আদর্শ কারা?
বিশ্বসুন্দরী হবার নামে মিস ওয়ার্ল্ড কিংবা সুন্দরী প্রতিযোগিতায় নিজেদের ইজ্জত-আব্রু বিকিয়ে দেওয়া বেহায়া নারীরা কি মুসলিম নারীদের আদর্শ হতে পারে? কিংবা নারীবাদের বিষাক্ত থাবায় নারীত্ব হারানো কোনো ‘নারী’?
সোজা বাংলায় উত্তর হচ্ছে, না। মুসলিম নারীদের আদর্শ তো তারাই, যাদের প্রতি তাঁদের রব সন্তুষ্ট হয়ে গিয়েছেন। যাদের ব্যাপারে তাঁদের রব কুরআনে সন্তুষ্টির ঘোষণা দিয়েছেন। হ্যাঁ, মুসলিম নারীদের আদর্শ হলো রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর পবিত্র স্ত্রী এবং তঁদের সান্নিধ্যপ্রাপ্ত নারী সাহাবিগণ। তাকওয়া, যুহদ, আমলদারিতা থেকে শুরু করে শিক্ষাদীক্ষা, আদব-আখলাক, সামাজিকতা সকল বিষয়ে তাঁরাই ছিলেন সেরা। ধর্মীয়, চারিত্রিক কিংবা সামাজিক ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিম নারীদের জন্য তাঁরাই সর্বোত্তম আদর্শ। রদিয়াল্লাহ আনহুন্না।
বক্ষ্যমাণ বইটিতে সেইসব মহীয়সী নারীদের জীবনাচার আলোকপাত করা হয়েছে। বইটি পড়ে আমাদের মা-জাতি রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সান্নিধ্যে সিক্ত উম্মাহাতুল মুমিনীন এবং নারী সাহাবিদের আদর্শে আলোকিত হতে অনুপ্রেরণা পাবে। তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করে নির্ভেজাল মুসলিম চরিত্র, ইসলামি সভ্যতা ও সমাজব্যবস্থার আদলে নিজেদেরকে গড়ে তুলবে ইনশাআল্লাহ।





30% Off

মুসলিমের সুরক্ষা

Tk 240 Tk 168

ব্যস্ততায় ভরা জীবনে একটু সময় করে আল্লাহকে স্মরণ করার ফুরসত মেলে না আমাদের। এভাবে আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীন থাকতে থাকতে একসময় আমাদের অন্তর মরে যায়। রাসূলুল্লাহ  ঠিক এমনটিই বলেছেন—
‘যে ব্যক্তি তার রবের যিকর করে আর যে ব্যক্তি তার রবের যিকর করে না, তাদের দুজনের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃতের মতো।’ [বুখারি, ৬৪০৭]
তা হলে, মৃত অন্তরে সজীবতা ফিরিয়ে আনার উপায় কী? আল্লাহকে স্মরণ করা। বেশি বেশি যিকর করা। কিন্তু মনগড়া যিকর করলেই হবে না। যিকর হতে হবে মাসনূন। অর্থাৎ, রাসূলুল্লাহ -এর সুন্নাহভিত্তিক।
‘মুসলিমের সুরক্ষা’ বইটি তেমনই একটি বই। রাসূলুল্লাহ  দৈনন্দিন জীবনে যেসব যিকর করতেন বা সাহাবিদের করতে উৎসাহিত করতেন, বক্ষ্যমাণ বইটি সেসবের-ই সংকলন। পাশাপাশি বইটিতে সুন্নাহ সম্মত ঝাড়ফুঁক বা রুকইয়াহ নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। মাসনূন দুআ, ওযীফা ও রুকইয়াহ’র জন্য ‘মুসলিমের সুরক্ষা’ বইটি শাইখ ড. সাঈদ কাহতানি -এর এক অনবদ্য সংকলন।



30% Off

মুসলিমদের পরাজিত মানসিকতা

Tk 70 Tk 49

যখন আপনি কোনো মুসলিমের কাছে পুনর্জাগরণের আশা ব্যক্ত করবেন, দেখবেন সে হতাশা ব্যক্ত করছে। সে বলবে, ‘তুমি উলো বনে মুক্তা ছড়াচ্ছ।’ কেউ হয়তো আরও আগ বাড়িয়ে বলবে, ‘তুমি তো ফুটো বেলুনে ফুঁ দিচ্ছ। ফুটো বেলুনে ফুঁ দিয়ে লাভ নেই। এক দিক থেকে ফুঁ দিলে বাতাস অন্যদিক থেকে বের হয়ে যায়।’
অনেকের মাঝেই এই প্রবণতা লক্ষ করা যায়। ফলে তারা অন্যায়ের নিষেধ ও আল্লাহর পথে আহ্বান করা থেকে পিছিয়ে থাকে। আসলে খিলাফাতের পতনের পর মুসলিম উম্মাহ কিছুটা ঝিমিয়ে পড়েছে। স্তিমিত ভাব বিরাজ করছে সবখানে। মরচে ধরেছে আমাদের মন ও মগজে। কমে গেছে কলমের ধার, ভোঁতা হয়ে গেছে তলোয়ার। মুসলিম উম্মাহ যে বিজয়ী জাতি, এ কথা ভাবতেও যেন অনেকের গা শিউরে ওঠে। আল্লাহ যে আমাদের বিজয়ের জন্যে প্রস্তুত করছেন, এ কথা শুনলে ভ্রু কুঁচকায় অনেকেই। যারা দ্বীনের জন্যে জীবন বাজি লাগাতে চায়, নৈরাশ্যবাদীরা তাদের পেছন থেকে টেনে ধরে রাখে। এরা আসলে মন-মগজে পাশ্চাত্যের গোলাম হয়ে গেছে। গোলামির ভাইরাস মিশে আছে এদের রক্তকণিকায়। এসব নৈরাশ্যবাদীদের জাগানোর জন্যেই এই বই।

30% Off

মুমিনের জীবনে আল্লাহর ওয়াদা

Tk 275 Tk 193

রোম সম্রাট হিরাক্লিয়াস ও পারস্য সম্রাট পারভেজের মধ্যে একটি যুদ্ধ হয়। এই যুদ্ধে রোমানরা পরাজিত হয়, পার্সিয়ান বাহিনী জয়লাভ করে। পার্সিয়ানরা ছিল মুশরিক। তাদের বিজয় মক্কার মুশরিকদেরকেও আনন্দিত করে। ঠিক এই সময়টাতেই কুরআন ঘোষণা করে, রোমানরা আবার জয়ী হবে। (সূরা রুম, ৩০ : ৩)
এই ঘোষণা শুনে মুশরিকরা মুসলিমদের সাথে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করতে থাকে। কিন্তু এই ঘোষণা যেহেতু আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে, সেহেতু এটার বাস্তবায়ন হবেই। সে আশায় বুক বাঁধে মুসলিম উম্মাহ। অবশেষে ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে রোমানরা জয়লাভ করে। কুরআনের ভবিষ্যদ্‌বাণী সত্য বলে প্রমাণিত হয়।
যুগে যুগে আল্লাহর ওয়াদা এভাবেই সত্যে পরিণত হয়েছে। আসলে আল্লাহর ওয়াদার অন্যথা হয় না কখনো। তাই তো মুমিনরা আল্লাহর উপরই ভরসা করে। আল্লাহর ওয়াদার উপর নির্ভর করে সামনের দিকে এগোতে থাকে।
‘…আল্লাহর ওয়াদা সত্য। আল্লাহর চাইতে অধিক সত্যবাদী কে আছে?’ (সূরা নিসা, ৪ : ১২২)

30% Off

মনের মতো সালাত

Tk 275 Tk 193

একটু ভেবে দেখুন তো, ক্ষুদ্র এই জীবনে সালাত নামক রণাঙ্গনে কতশত বার আপনাকে পরাস্ত করেছে বিতাড়িত শয়তান? কতবার সে সালাত থেকে আপনার মনোযোগ সরিয়ে দিগ্বিদিক নিয়ে গেছে? আর নিজের সঙ্গীসাথিদের কাছে নিজের বিজয়ের গল্প শুনিয়ে অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছে! কখনো কি নিজেকে এই প্রশ্নগুলো করেছেন—
কতবার সালাত শেষ হয়ে গিয়েছে, অথচ (মন কোথায় ছিল তা) আপনি টেরই পাননি?
কতবার সালাতে মনোযোগ না থাকাকে আপনি হালকা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছেন?
কতবার এমন হয়েছে যে, সালাত আদায় করাটা খুব কঠিন আর ক্লান্তিকর মনে হয়েছে?  
কতবার আপনি গাফলতির সাথে সালাতে দাঁড়িয়েছেন, আর রাজ্যের আলস্য আর উদাসীনতা দিয়ে নিজেই শয়তানকে স্বাগত জানিয়েছেন?
সালাত ছিল রাসূলুল্লাহ -এর চক্ষুর শীতলতা। আপনার সালাত কি কখনো আপনার চক্ষু শীতল করেছে? আপনি কি কখনো সালাতের হাজার বছর পুরোনো সেই স্বাদ আস্বাদন করেছেন, যার মূর্ছনায় হারিয়ে যেতেন আমাদের সালাফগণ? ফিরে পেতে চান সালাতের সেই স্বাদ?
‘মনের মতো সালাত’ বইখানি আপনাকে সাহায্য করবে সেই স্বাদ ফিরে পেতে। আপনাকে সাহায্য করবে উদাসীনতার চক্রব্যূহ থেকে বের হয়ে আসতে। এরপর আপনিও এক বিগলিত অন্তর নিয়ে নিজেকে সমর্পণ করতে পারবেন আল্লাহর সামনে, সালাতে। ইন শা আল্লাহ।


30% Off

মেঘপাখি

Tk 242 Tk 169

শীতকাল এলে একটা হাদীস খুব শোনা যায়, “শীত ঋতু মুমিনের বসন্তকাল।” (কারণ হিসেবে বলা হয়, শীতে দিন ছোটো, বেশি বেশি নফল সাওম রাখা যায়; রাতগুলো বড়, পর্যাপ্ত ঘুমিয়ে জায়নামাযে দাঁড়ানোর সুযোগও পাওয়া যায় বেশি।) এই হাদীস কারও কাছে শুনলে আমার মনে পড়ে দাদার কাছে শেখা একটা ফার্সি শের, যার অর্থ : “বসন্ত এসেছে বলে পাথরে তো আর ফুল ফুটবে না। রঙিন ফুল ফুটবে শুধু মাটিতে। ফুল যদি ফোটাতে চাও, মাটি হয়ে যাও।” অন্তরটা মাটির মতো নরম না হলে বসন্তের কোনো প্রভাব তাতে পড়বে না। যেমনটি আমি ও আমার মতো কিছু কাষ্ঠকঠিন হৃদয়ের মানুষের ক্ষেত্রে ঘটছে। বসন্তকে কাজে লাগিয়ে ইবাদাতের ফুল ফোটাতে চাইলে, আত্মশুদ্ধির সুঘ্রাণে মুখর হতে চাইলে হৃদয়টা নরম হওয়া চাই। চৌচির পাথুরে জমিনও বৃষ্টিবর্ষণের পর নরম হতে শুরু করে। আমরা যারা হৃদয়টা পাথরপ্রতিম বানিয়ে রেখেছি, এই ভরা-বসন্তে একপশলা বৃষ্টিবর্ষণের কোশেশ করতে পারি। এই বৃষ্টির জন্যে মেঘ দরকার। সেই মেঘের ঠিকানা খুঁজে পেতে আপনার সহযোগী হতে চায় ‘মেঘপাখি’।



30% Off

মানসাঙ্ক (কষ্টিপাথর-২) (পেপারব্যাক)

Tk 275 Tk 193

প্রতি যুগে যে গোষ্ঠীর মানুষ যে যে বিষয়ে উৎকর্ষের অহঙ্কার করেছে, আল্লাহ তাদের সেই সর্বোচ্চ পারফর্মেন্সকে চ্যালেঞ্জ করেছেন নিজ প্রেরিত নবীদের সত্যতা প্রমাণের জন্য। একে মুজিযা বলে। মুসা আলাইহিস সালামকে দিয়ে ‘যাদুবিদ্যা’কে চ্যালেঞ্জ করিয়েছেন, ঈসা আলাইহিস সালামকে দিয়ে ‘চিকিৎসাশাস্ত্র’কে।
শেষনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব দেশের জন্য, সব যুগের জন্য। তাই তাকে এমন একটা কিছু দিতে হবে, যা সব দেশের উৎকর্ষের মোকাবেলায় তাদেরকে হতবাক করে দেবে। সব যুগের উৎকর্ষকে চ্যালেঞ্জ করে অবাক করে দেবে বোদ্ধাদের। আরবে প্রথম যুগ ছিল কাব্যসাহিত্যের, কুরআন এসে সেই সর্বোচ্চ পারফর্মেন্সকে চ্যালেঞ্জ করেছে-সমালোচনা নয়; পারলে এরকম একটা কিতাব, নয়তো একটা সূরা, কমসেকম একটা আয়াতই লিখে নিয়ে এসো। আরব স্বভাবকবিরা হয়রান হয়ে ঘোষণা করে দিয়েছে- এটা কোন মানুষের রচনা নয়।
বর্তমান যুগ-পর্যবেক্ষণলব্ধ জ্ঞানের, যাকে আমরা ‘বিজ্ঞান’ নামে চিনি। আমাদের সর্বোচ্চ পারফর্মেন্স বিজ্ঞান, আমাদের অহংকার। মানবসভ্যতা এতো ক্ষমতা আগে কখনও পায়নি। আজও তাহলে কুরআনের চ্যালেঞ্জ করার কথা আধুনিকতম সব আবিষ্কারকে। আর বোদ্ধাদের হবার কথা হয়রান, নির্বাক, হতবুদ্ধি। এসো, সমালোচনা তো রাস্তার পাগলেও করতে পারে; পারলে এর মত বা আরও ভাল সমাধান বাতলে দেখাও। চ্যালেঞ্জ।

30% Off

কাঠগড়া কষ্টিপাথর - ৩ (পেপারব্যাক)

Tk 264 Tk 185

বর্তমান যুগকে ‘বিজ্ঞানের যুগ’ বলা হয়ে থাকে। ‘বিজ্ঞানের যুগ’ বলেই হয়তো দেশের আনাচে কানাচে ব্যাঙের ছাতার মত গজিয়ে ওঠছে শত শত বিজ্ঞানলেখক এবং বিজ্ঞানবাজ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপ। এরা বিজ্ঞানের নামে যা গেলাচ্ছে, তা যতটা না বিজ্ঞান, তার চেয়ে বেশি কলাবিজ্ঞান। এদের বিজ্ঞান বুঝা আর পশ্চিমা একাডেমিক বিজ্ঞানী-দার্শনিকদের বিজ্ঞান বুঝার মাঝে আসমান-জমিন ফারাক। বিজ্ঞানের নামে অপবিজ্ঞান শেখানোর কূট-কৌশল নিয়েছে তারা।
এরা ইসলামকে বিজ্ঞানের মুখোমুখি দাঁড় করায়। বলে, বিজ্ঞান আর ইসলাম নাকি সাংঘর্ষিক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ কে অবৈজ্ঞানিক বলে অবজ্ঞা করে। ১৪০০ বছর পূর্বের জীবনবিধান নাকি এই ‘আধুনিক’ যুগে চলবে না। অথচ ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ এবং চির-আধুনিক জীবনবিধান। ইসলাম হচ্ছে সবচেয়ে বেশি বিজ্ঞানসম্মত দ্বীন। আজকের বিজ্ঞানের জন্মের শত শত বছর পূর্বেই আমাদের রব তাঁর প্রিয়তম রাসূলের মাধ্যমে আমাদের সর্বাধুনিক বিজ্ঞান শিখিয়ে দিয়েছেন। আর তা হলো ইসলাম।
‘কাঠগড়া’ বইটিতে লেখক চিকিৎসাবিদ্যা এবং গণিত শাস্ত্রে মুসলিমদের অবদান এবং তৎসংশ্লিষ্ট কয়েকটি সুন্নাহ’র মু’জিযা আলোচনা করেছেন। আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের হুকুমের মাঝেই যে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ রয়েছে লেখক তার লেখায় বারবার এটাই ফুটিয়ে তুলেছেন।

30% Off

জীবনের সহজ পাঠ

Tk 192 Tk 134

জীবনের ছোট ছোট অভিজ্ঞতাপ্রসূত কিছু অনুভূতি, কিছু অনুসন্ধিৎসা, কিছু উপলব্ধি নিয়ে ‘জীবনের সহজ পাঠ’। এটি কোন দর্শনের কিতাব নয়, নেহাতই সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের স্বাভাবিক ঘটনাপ্রবাহগুলোকে আমার ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার, বোঝার, জানার এক সহজ প্রয়াস। হয়ত কারো চিন্তার খোরাক হতে পারে।


30% Off

ঈসা ইবনু মারইয়াম আ. (পেপারব্যাক)

Tk 110 Tk 77

ঈসা আলাইহিস সালামের আশ্চর্য জীবন-কাহিনি ও মুজিযাগুলো নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহের শেষ নেই। পৃথিবীর প্রধান তিনটি ধর্মে তিনি একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। পৃথিবীর ইতিহাসে তিনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, এটা বুঝতে হলে আগে জানতে হবে পেছনের ইতিহাস। তাঁর জীবনের মাধ্যমে তিনি ইতিহাসকে নতুন রূপ দিয়েছেন এবং আবারও তা-ই করবেন কিয়ামাতের আগে দুনিয়াতে ফিরে এসে।
ঈসা আলাইহিস সালাম-কে নিয়ে পৃথিবীর অনেক মানুষ বিভ্রান্তিতে রয়েছে। খ্রিষ্টানদের বড় একটা অংশ ঈসা ইবনু মারইয়াম আলাইহিস সালাম-কে আল্লাহর পুত্র মনে করে। তাঁর এই পিতা-ব্যতীত অলৌকিক জন্মের ঘটনায় বিভ্রান্ত হচ্ছে হাল আমলের অনেক মুসলিমও। অনেকে আবার দাবি করে অভিশপ্ত ইয়াহূদিরা তাঁকে শূলবিদ্ধ করে হত্যা করেছে।
বক্ষমাণ বইটিতে ঈসা ইবনু মারইয়াম আলাইহিস সালামের জন্ম, মুজিযা, তাঁকে হত্যার ষড়যন্ত্র, আসমানে উত্তোলন থেকে নিয়ে দুনিয়ায় প্রত্যাবর্তন নিয়ে বিশুদ্ধ বর্ণনার ভিত্তিতে আলোচনা উঠে এসেছে। ঈসা আলাইহিস সালামের বিশুদ্ধ জীবনী পাঠে বইটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে ইন শা আল্লাহ।

32% Off

সময়কে কাজে লাগান (হার্ডকভার)

Tk 560 Tk 381

সময় স্বর্ণ-রুপা আর মণি-মুক্তার চেয়ে দামি। সময়কে যে কাজে লাগায়, সে-ই সফলতা অর্জন করে। আর সময়কে যে অবহেলায় নষ্ট করে, সে ব্যর্থ হয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন তাঁর ইবাদাত করার জন্য। আমাদের ওপর কিছু আমল আবশ্যক করেছেন, যা সব সময়ের জন্য প্রযোজ্য। আর কিছু আমল রয়েছে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আবশ্যক। কোন মাসে কোন সময়ে কী কী আমল আল্লাহ বান্দার জন্য আবশ্যক করেছেন, এ বিষয়ে আজ থেকে প্রায় সাতশ বছর আগে অনবদ্য একটি গ্রন্থ রচনা করেছেন যুগশ্রেষ্ঠ ইমাম ইবনু রজব হাম্বালি (রহিমাহুল্লাহ)। গ্রন্থটির নাম লাতায়িফুল মাআরিফ । যা বারো মাসের আমল-সংক্রান্ত প্রথম বিশুদ্ধ কিতাব। সর্বজন স্বীকৃত এবং এ বিষয়ে রেফারেন্স-বুক হিসেবে প্রসিদ্ধ।
জনসাধারণের মাঝে বারো চান্দের ফযীলত বিষয়ে বর্তমানে যে মুনকার ও মনগড়া আমল প্রচলিত রয়েছে, তা দূর করতে এই কিতাবটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে ইন শা আল্লাহ। কুরআন-সুন্নাহর আলোকে পুরো বছরের আমল সম্পর্কে রচিত এই গ্রন্থটি সকলের নিকটই থাকা উচিত। এটি প্রতিদিন নিজে পাঠ করা এবং অন্যদের পাঠ করে শোনানোর মতো একটি গ্রন্থ। পাঠক এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় খুঁজে পাবে সময়কে কাজে লাগানোর কার্যকরী অনুপ্রেরণা।

12% Off

স্টোরি অব বিগিনিং (হার্ডকভার)

Tk 245 Tk 216

পৃথিবী সৃষ্টির আগে গোটা জগত কেমন ছিল? এর সূচনা কীভাবে হলো? সৃষ্টির শুরুতে আমরা কোথায় ছিলাম? আদম আ.-এর সৃষ্টির আগে পৃথিবীটাই-বা কেমন ছিল?ইমাম ইবনু কাসীর রহ. তাঁর বিখ্যাত ইতিহাস সিরিজ ‘আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ’ গ্রন্থের এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। আলমে আরওয়াহ থেকে দুনিয়া সফরের পূর্ণ ইতিহাস তিনি আলোচনা করেছেন। জনপ্রিয় দাঈ ওমর সুলেইমান এই গ্রন্থের ওপর ভিত্তি করে ৭০ পর্বের একটি সিরিজ বক্তব্য প্রদান করেন। সেই সিরিজ অবলম্বনেই ‘স্টোরি অব বিগিং’ বইটি।সৃষ্টির ইতিহাস প্রসঙ্গে আমরা যা জানি এবং এর বাইরে আরও যেসব বার্তা আছে, সেগুলো ধারাবাহিকভাবে এতে আলোচনা করা হয়েছে। কীভাবে মানুষ, বিশাল পৃথিবী, ভূমণ্ডল, নভোমণ্ডল, ফেরেশতা, জিন প্রাণীকুল সৃষ্টি হলো ইত্যাদি সবিস্তর আলোচনা এসেছে এই বইতে।

32% Off

মাদারিজুস সালিকীন (হার্ডকভার) আল্লাহওয়ালা হওয়ার সার্বিক দিকনির্দেশনা

Tk 800 Tk 544

ভালো মানুষ হওয়ার জন্য সবার আগে প্রয়োজন আত্মার সংশোধন। আত্মার সংশোধন ছাড়া দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণ লাভ করা সম্ভব নয়। যার অন্তর সংশোধন হয়ে যায়, সে-ই প্রকৃত সফল। কিন্তু আত্মশুদ্ধির পথে রয়েছে নানান তরীকা। সঠিক তরীকা খুঁজে না পাওয়ার ফলে মানুষ অন্তরকে জীবন্ত করার বদলে মেরে ফেলে। কোন তরীকাটি সঠিক সাধারণ মানুষের জন্য তা খুঁজে বের করা অত্যন্ত কঠিন। এই কঠিন কাজটি সহজ করে দিয়েছেন অষ্টম শতাব্দীর মহান ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ)। তিনি ছিলেন আত্মার অভিজ্ঞ চিকিৎসক।

প্রায় ছয়শত বছর পূর্বে তিনি আত্মশুদ্ধি-বিষয়ে পৃথিবীর সেরা একটি কিতাব রচনা করেছেন, যার নাম মাদারিজুস সালিকীন। সচেতন মুসলিম মাত্রই এই বইটির গুরুত্ব উপলব্ধি করেন। পৃথিবীর অসংখ্য ভাষায় এই বইটি অনূদিত হয়েছে। হাজার হাজার বইয়ে এর উদ্ধৃতি দেওয়া হয়। এটি আত্মশুদ্ধি-বিষয়ে রেফারেন্স-বুক হিসেবে সমাদৃত। আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ পরিশ্রমের পর বিখ্যাত এই বইটির প্রাঞ্জল অনুবাদ নিয়ে এসেছি আমরা। বইটি যত বেশি পড়া হবে, পাঠক তত বেশি উপকৃত হবে এবং নিজেকে আখিরাতের জন্য প্রস্তুত করতে উৎসাহ পাবে।

লেখক বইটিতে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে আত্মশুদ্ধির সঠিক পথ দেখিয়েছেন। আত্মশুদ্ধি অর্জন করার জন্য তিনি অর্ধশত মানযিলের বর্ণনা দিয়েছেন। এ রকম কিছু মানযিল হলো—তাওবা, আল্লাহভীতি, গভীর ধ্যানে মগ্ন হওয়া, আল্লাহর ওপর ভরসা করা, সবর, শোকর, উত্তম চরিত্র, আল্লাহর স্মরণ, আত্মসম্মানবোধ ইত্যাদি। আত্মশুদ্ধির পথে এই বইয়ের প্রতিটি মানযিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই বইয়ে রয়েছে এক মানযিল থেকে আরেক মানযিলে সফর করার দিকনির্দেশনা। যে নির্দেশনায় বান্দা একের-পর-এক মানযিল পাড়ি দিয়ে হয়ে ওঠে আল্লাহওয়ালা।

30% Off

হিজাবের বিধি - বিধান

Tk 270 Tk 189

হিজাব সার্বক্ষণিক একটি ফরজ ইবাদাত। যা একজন নারীকে খুব সতর্কতার সাথে মেনে চলতে হয়। একজন নারীর জান্নাতে যাওয়ার ক্ষেত্রে হিজাবের ভূমিকা অনেক বড়ো। যদি সে হিজাবের পাশাপশি অন্যান্য ভালো আমলগুলো করে, তা হলে সে জান্নাতে যাবে, ইন শা আল্লাহ। আর যদি সে হিজাব পালন না করে, তা হলে সে এর দ্বারা তার বাবা ও স্বামীকে দাইয়্যুস বানায়। যার ফলে সেই নারী নিজেকে-সহ তাদের সবাইকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন আসে, হিজাব কী? হিজাবের পরিধি কতটুকু? মুখ ঢাকা কি হিজাবের অন্তর্ভুক্ত? শাড়ি পরলেও কি হিজাব পালন হয়? হিজাব ও জিলবাবের মধ্যে পার্থক্য কী? এরকম অসংখ্য খুঁটিনাটি প্রশ্ন আর পর্দার বিধান নিয়ে শাইখ আবদুল আযীয তারীফি রচনা করেছেন ‘আল-হিজাব ফিশ শারঈ ওয়াল ফিতরাহ’। বাংলাভাষী বোনদের জন্য হিজাবের গাইডলাইন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সেই বইটির অনুবাদ ‘হিজাবের বিধিবিধান’ নামে আমরা নিয়ে এসেছি, আলহামদুলিল্লাহ। আশা করছি প্রতিটি মুসলিম বোন এই বইটি কাছে রাখলে উপকৃত হবে, ইন শা আল্লাহ।

30% Off

আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না ?

Tk 250 Tk 175

প্রায় দেড় হাজার বছর আগে প্রিয় নবি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে ভালোবেসে কোনো এক মজলিসে ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করেছেন। সেই মজলিসে আমরা থাকতে পারিনি; কিন্তু সাহাবায়ে কেরাম ছিলেন। তিনি সাহাবিদের মজলিসে বসে থাকতেন, সাহাবায়ে কেরাম প্রশ্ন করতেন আর আমাদের প্রিয় নবিজি উত্তর দিতেন। কিন্তু কখনো কখনো নবিজি নিজেই আগ্রহ সহকারে বলতেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে সর্বোত্তম বিষয়টি জানিয়ে দেবো না?’ ‘আমি কি তোমাদেরকে নামাজ-রোযার চেয়েও উত্তম আমলের কথা বলে দেবো না?’ সাহাবিরাও খুব আন্তরিকতার সাথে বলতেন, ‘অবশ্যই, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আপনি আমাদের জানিয়ে দিন।’ যে কথাগুলো নবিজি নিজ থেকে আমাদেরকে জানিয়ে দিতে চেয়েছেন, নিশ্চয়ই সে কথাগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই গুরুত্বের কথা বিবেচনা করেই আমরা নবিজির দরদমাখা সেই নির্দেশনাগুলো “আমি কি তোমাদের জানিয়ে দেবো না” এই শিরোনামে একত্রিত করেছি।
নবিজি এমন কী বিশেষ কথা আমাদের জন্য বলে গিয়েছেন, এমন কী গুরুত্বপূর্ণ আমলের খবর আমাদের দিয়েছেন, কারও কোনো প্রশ্ন করা ছাড়াই নিজ আগ্রহে তিনি কোন কোন বিষয়গুলো আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন—চলুন জীবনে একবার হলেও সেগুলো জেনে নিই।

12% Off

আহ্বান (হার্ডকভার) আধুনিক মননে আলোর পরশ

Tk 270 Tk 238

দয়াময় রব গোটা সৃষ্টিজগৎকে সাজিয়েছেন অপরূপ নৈপুণ্যে, সর্বত্র ছড়িয়ে দিয়েছেন অনুপম কারুকার্যের হাজারো নিদর্শন। কত বদল আর বৈচিত্র্যে ঠাসা এ চরাচর! যেন প্রভুর পরম আসমানি স্পর্শ লেগে আছে প্রতিটি কোণে। একেক সৃষ্টিকে  তৈরি করেছেন একেক ব্যঞ্জনায়। এজন্যই তো অহংকার তাঁর আপন চাদর। আমাদের যত প্রার্থনা ও স্তুতি—সকলই কেবল তাঁকে ঘিরে। তিনিই মানুষকে পাঠিয়েছেন জোড়ায় জোড়ায়; একে অন্যের ভূষণরূপে। আমাদের সমৃদ্ধ করেছেন উত্তম রিজিকে, প্রখর মেধা আর তারুণ্যের প্রাণোচ্ছল চঞ্চলতায়। ভরসার ছায়া আর অবারিত অনুগ্রহে আগলে রেখেছেন তামাম কুল-কায়েনাত।

এসবেরই স্বচ্ছন্দ ও সুখপাঠ্য পর্যালোচনা হাজির করেছেন বর্তমান সময়ের তুমুল জনপ্রিয় দাঈ শাইখ মিজানুর রহমান আজহারি। তরুণ প্রজন্মের সামনে পেশ করেছেন সুস্থ-সুন্দর, সময়োপযোগী ও ঈমানদীপ্ত জীবনের নববি চালচিত্র। সময়ের সবুজ সওয়ারিদের আহ্বান করেছেন গৌরবময় সত্যের পথে।

35% Off

মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিষ্কার (হার্ডকভার)

Tk 700 Tk 455

প্রফেসর সেলিম টি এস আল-হাসসানি রচিত ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক থেকে প্রকাশিত 1001 Inventions : The Enduring Legacy of Muslim Civilization নামের বিশ্ববিখ্যাত গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ গ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার। এটি কেবল একটি বই নয়—  এক আকাশ ইতিহাসের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস সংকলন। হাজার বছরের ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসভিত্তিক আলোচনাগুলো আবৃত হয়েছে দুমলাটের ভেতরকার জমিনে। গোটা বিশ্বের ইতিহাস থেকে মুসলিম সভ্যতার অবদানমুখর অধ্যায়কে মুছে ফেলে এবং সকল শিক্ষা পাঠ্যক্রম থেকে এ আলোচনাকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে— যে সময়টিকে ডার্ক এইজ বা অন্ধকার যুগ হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে; এ গ্রন্থে মূলত সে সময়টিকে গোল্ডেন এইজ বা স্বর্ণযুগ প্রমাণ করার প্রয়াস চলানো হয়েছে। আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি এবং আবিস্কার-উন্নয়নের নেপথ্যে মুসলিমদের কৃতিত্ব ও অবদানমূলক গৌরবগাথাগুলো একত্রিত করা হয়েছে এ গ্রন্থের পাতায় পাতায়।
সাদা কাগজের কিছু পৃষ্ঠার ওপর কালো কালিতে খচিত নিছক কোনো গ্রন্থ নয় এটি। মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের গৌরবগাথা আবিস্কার-অবদানের ইতিহাস সমৃদ্ধ শেকড়সন্ধানী এক প্রামাণ্যগ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার।
৩৭৬ পৃষ্ঠার বৃহৎ কলেবরের একটি বই। মোট ৮ অধ্যায়ে বিন্যস্ত এ গ্রন্থে এক শতাধিক বিষয়ভিত্তিক শিরোনামে তুলে ধরা হয়েছে অসংখ্য-অগণিত আবিস্কার ও উন্নয়নের গল্প। গ্রন্থটির প্রতিটি লাইনে লাইনে উঠে এসেছে আবিস্কার-অবদানের চেপে রাখা ইতিহাসের ইতিহাস।  এছাড়া মুসলিম সভ্যতার উন্নয়নের সময়কাল ও মুসলিম সভ্যতার প্রধান প্রধান অবদানের মানচিত্র শিরোনামের ২টি ব্যতিক্রমধর্মী টাইমলাইনের যুক্ত করার পাশাপাশি সাড়ে ৯ ইঞ্চি বাই সাড়ে ৬ ইঞ্চি সাইজের বইটি যুক্ত করা হয়েছে দূর্লভ ও বিরল হিস্ট্রিক্যাল বিভিন্ন ছবি ও প্রাচীন পাণ্ডুলিপির রেফারেন্স।  
বর্তমানে বিশ্বে মুসলমানিত্বের অস্তিত্বের গৌরবোজ্জল ঐতিহাসিক পরিচয় নিয়ে বেঁচে থাকতে, পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসগ্রন্থের পর এ গ্রন্থটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য হওয়ার দাবি রাখে। কারণ এ গ্রন্থের প্রতিটি লাইন সমৃদ্ধ হয়েছে মুসলিমদের অবদানের গৌরবগাথায়। বংশগত ঐতিহ্য রক্ষার্থে প্রত্যেকটি মুসলিম পরিবার যেমনিভাবে বংশলতিকা সংরক্ষণ করে; মুসলিম সভ্যতার হাজার বছরের অবদানমুখর গৌরবগাথা ইতিহাস নিজেরা জানতে এবং অন্যকে জানাতে তেমনিভাবে এ গ্রন্থটিও প্রত্যেক মুসলিম পরিবারে সংরক্ষিত হওয়া উচিত।

আপনি কেন এই বইটি কিনবেন?
* আপনি কি জানেন— গণিত, ত্রিকোণমিতি, জ্যামিতি, ডিসটিলেশন-পাতন, রসায়ন এবং উড্ডয়ন যন্ত্র বা বিমানের আবিষ্কার কে বা কারা?
* কফি, ঘড়ি, দাবাখেলা, ধাঁধাযন্ত্র, সুগন্ধি, লাইফস্টাইল পণ্য এবং ক্যামেরা আবিষ্কার করেছিলেন কোন কোন মুসলিম বিজ্ঞানী?
* কৃষিবিপ্লব, পানি সরবরাহ, বাঁধ নির্মাণ, বায়ুকল, বস্ত্র ও কাগজ আবিষ্কারসহ মৃৎশিল্প, কাচের শিল্প-কারখানা, মণিমুক্তা-অলংকার ও মুদ্রার প্রচলনে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসগুলো আপনার জানা আছে কি?
* আপনি কি জানেন— স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা, খিলান, গম্বুজ, মিনার, দুর্গ, গণগোসলখানা, তাঁবু, কাচঘর এবং বাগান ও ঝরনার উন্নয়নসহ হাসপাতাল নির্মাণ, সার্জারি, চিকিৎসা-অস্ত্রোপচারের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও টিকা আবিষ্কার, ঔষধালয় নির্মাণ এবং ভেষজ চিকিৎসার উন্নয়নে মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের কি কি অবদান রয়েছে?
* ভূগোল, মানচিত্র অঙ্কন, যুদ্ধাস্ত্র তৈরি, সামাজিক বিজ্ঞান ও অর্থনীতি এবং নৌবিদ্যা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাসহ জোতির্বিদ্যা, মানমন্দির প্রতিষ্ঠা, অ্যাস্ট্রোলেব আবিষ্কার এবং চাঁদ ও নক্ষত্রপুঞ্জ নিরীক্ষণে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের ইতিহাসগুলো আপনার জানা আছে কি?

এসব আবিষ্কার ও উন্নয়নের নেপথ্যে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস জানতে হাতে তুলে নিন ‘মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিষ্কার’ গ্রন্থটি। গোটা বিশ্বের ইতিহাস থেকে মুসলিম সভ্যতার অবদানমুখর  অধ্যায়কে মুছে ফেলে এবং সকল প্রকারের শিক্ষা পাঠ্যক্রম থেকে এ আলোচনাকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানমূখর যে সময়টিকে ‘ডার্ক এইজ’ বা ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবে পরিচিত করানো হয়েছে, এ গ্রন্থে মূলত সে সময়টি ‘গোল্ডেন এইজ’ বা ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে প্রমাণ করা হয়েছে।
সাদা কাগজের কিছু পৃষ্ঠার ওপর কালো কালিতে খচিত নিছক কোনো গ্রন্থ নয় এটি। মুসলিম সভ্যতার মহানায়ক মুসলিম বিজ্ঞানীদের গৌরবগাথা আবিষ্কার-অবদানের শেকড়সন্ধানী ইতিহাস সমৃদ্ধ  এক প্রামাণ্যগ্রন্থ— মুসলিম সভ্যতার ১০০১ আবিস্কার।

30% Off

প্রত্যাবর্তন

Tk 330 Tk 231

প্রত্যাবর্তন ” বইটির ফ্ল্যাপের কথাঃ মোহ আর মিথ্যের মধ্য দিয়ে পথ চলতে চলতে একটা সময় আত্নাগুলো নিমজ্জিত হয় অন্ধকারের অতল গহ্বরে। সেই ভয়ার্ত অন্ধকার কূপ থেকে কেউ আলোর দেখা পায়, কেউ পায় না। কেউ নিজের আত্নাকে পরিশুদ্ধ করে নেওয়ার সুযোগ লুফে নেয়, কেউ নিজেকে হারিয়ে ফেলে অতল থেকে অতলে। যারা ফিরে আসে, কেমন হয় তাদের গল্পগুলো? সে রকম একঝাঁক পরিশুদ্ধ আত্নার গল্প নিয়েই

30% Off

এবার ভিন্ন কিছু হোক (হার্ডকভার)

Tk 340 Tk 238

ভোরের শিশির, শীতের কুয়াশা, রাতের নিস্তব্ধতা, পাখিদের কলরব, নদীর অবিরাম বয়ে চলা, সাগরের বুকে উথাল-পাতাল ঢেউ—সবখানে সবকিছু ঠিকঠাক, কেবল আমাদের জীবনের কোথাও যেন এক নীরব ছন্দপতন। সেখানে সুর, তাল আর লয়ের কোনো হিশেব মিলছে না। প্রতিদিন একটা একঘেয়েমি চক্রে কেটে যাচ্ছে জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত। মাঝে মাঝে হাপিত্যেশ লাগে—এভাবে একটা জীবন চলতে পারে? কী পাওয়ার বদলে কী হারাচ্ছি জীবন থেকে? এভাবেই কি ক্ষয়ে যাওয়ার কথা আস্ত একটা জীবন?
প্রশ্নগুলো অনেকের, কিন্তু উত্তরগুলো যেন কোথাও বিন্যস্ত করা নেই। জীবনে একটা বদল প্রয়োজন, একটা পরিবর্তন ভীষণ জরুরি—তা আমরা জানি। কিন্তু কীভাবে শুরু করবো? ঠিক কোথা থেকে যাত্রা করবো নতুন এক দিনের? এইসব প্রশ্নের উত্তর আর জীবনের এক নতুন উপাখ্যান রচনায় ‘এবার ভিন্ন কিছু হোক’ বইটি হতে পারে আপনার নিত্যদিনের সাথি।